খবর লাইভ : কানাডায় গিয়ে নিখোঁজ হয়ে যাচ্ছেন একের পর এক বিমানসেবিকা। যা নিয়ে চিন্তার শেষ নেই পাকিস্তানের। দিন কয়েক আগেই এক বিমানসেবিকার আচমকা উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনায় নতুন করে বিষয়টি সামনে এসেছে। সূত্রের খবর, পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্স-এর সেবিকা ছিলেন তিনি। এদিকে তাঁর ‘নিখোঁজ’ হওয়ার খবরে পাকিস্তানে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। বিমানসেবিকার নাম মারিয়ম রাজা। কিন্তু আচমকা কোথায় উধাও হয়ে গেলেন ওই বিমান কর্মী? তার সদুত্তর মেলেনি। খোঁজ মেলেনি মারিয়মেরও।
গত সোমবারই ইসলামাবাদ থেকে কানাডার টরন্টোর উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল পিআইএ-র একটি বিমান। সেই বিমানেই দায়িত্বে ছিলেন মারিয়ম। পরদিন ওই বিমানটির ফের পাকিস্তানে ফেরার কথা ছিল। তবে সেই ফিরতি বিমানে আর মারিয়মকে দেখা যায়নি বলে অভিযোগ। এরপরই মারিয়াম যে হোটেলে ছিলেন সেখানে খোঁজ করেন পিআইএ কর্তৃপক্ষ। তবুও তাঁর সন্ধান মেলেনি। তবে মারিয়ামের হোটেল রুম থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার হয়। যেখানে বিমান সংস্থাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। তবে পাকিস্তানের বিমানসেবিকাদের কানাডায় গিয়ে নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। এর আগেও বেশ কয়েকবার একই ঘটনা ঘটেছিল। এদিকে গত বছরের জানুয়ারি মাসেই পাকিস্তান থেকে আর ফইজা মুখতার নামে এক বিমানকর্মী কানাডায় গিয়েছিলেন। তিনিও আর ফেরেননি বলে অভিযোগ। তবে কেন এমন ঘটনা বার বার ঘটছে? একটি সংবাদমাধ্যমের দাবি, ২০১৮ সাল থেকে পাকিস্তানের বিমানকর্মীরা বিদেশে আশ্রয় খুঁজছেন। পাকিস্তানে তাঁরা থাকতে চাইছেন না। এমনকি, পিআইএ-র বেশ কয়েক জন বিমানকর্মী কানাডায় আশ্রয় নিতে চেয়ে আবেদনও জানিয়েছেন বলে দাবি সংবাদমাধ্যমের।
আরও পড়ুনঃ মুম্বইয়ে আটক পাকিস্তানগামী চিনা জাহাজে পারমাণবিক পণ্য উদ্ধার! দাবি নস্যাৎ পাক সরকারের
তবে পরিসংখ্যান বলছে, পাকিস্তানি বিমানকর্মীদের কানাডায় ‘নিখোঁজ’ হয়ে যাওয়ার রীতি শুরু হয়েছে ২০১৯ সাল থেকে। সম্প্রতি সেই প্রবণতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৩ সালে কমপক্ষে ৭ পিআইএ কর্মী কানাডায় গিয়ে আর ফেরেননি বলে খবর। সংবাদমাধ্যমের দাবি, তাঁরা সেখানেই আশ্রয় খুঁজে নিয়েছেন। তবে অভিজ্ঞ মহলের মতে, বর্তমানে পাকিস্তানের অর্থনৈতিক অবস্থা একেবারে তলানিতে। পিআইএ-র হালও তথৈবচ। অনেকের মতে সেকারণেই বিমানকর্মীরা দেশ ছাড়তে চাইছেন।




