খবর লাইভ : শ্রদ্ধাকে খুন করেই রণে ভঙ্গ দেয়নি আফতাব। শ্রদ্ধার পরিচয় যাতে প্রকাশ্যে না আসে সেজন্য দেহ টুকরো টুকরো করার পর কাটা মুন্ডুর মুখ পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।
আফতাব জানিয়েছে, সে চাইত না যে শ্রদ্ধার কাটা মুন্ডু কখনও খুঁজে পাওয়া যাক।একই সঙ্গে সে একথাও ভেবেছিল, যদি কোনও ভাবে মুন্ডু উদ্ধার করা হয়, তাতেও যেন সেই মুন্ডুর পরিচয় প্রকাশ্যে না আসে।
আরও পড়ুনঃ মেনকার বিরুদ্ধে ইডির করা আবেদন খারিজ হাই কোর্টে
আর সেই কারণেই শ্রদ্ধার দেহ টুকরো টুকরো করার পর মুখের সামনের অংশ আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি।
শ্রদ্ধাকে খুন করার পর পরই তাঁর দেহের বেশ কিছু অঙ্গপ্রত্যঙ্গ জঙ্গলে ফেলে দিয়ে আসে আফতাব।তার মধ্যে বেশ কিছু অংশ জঙ্গলের জন্তুরা খেয়ে ফেলেছে বলেও মনে করছেন তদন্তকারীরা। আর সেই কারণেই দেহের ১৩ টুকরো উদ্ধার করা গেলেও এখনও বেশ কিছু দেহের টুকরো উদ্ধার করা যায়নি।
খুনে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্রই বা কোথায়, তা নিয়েও ধন্দে পড়েছে পুলিশ। বেশ কিছু সিসিটিভি ফুটেজ এখনও খতিয়ে দেখছেন পুলিশ আধিকারিকরা।
আফতাব পুলিশকে জানিয়েছে, আমেরিকার জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘ডেক্সটার’ দেখে সে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন। একই সঙ্গে তাঁর গুগ্ল সার্চে উঠে এসেছে, মৃতদেহ নিকেশ করা সম্পর্কে নানা বিধ তথ্য সার্চ করার ইতিবৃত্ত।
বেশ কিছু তথ্যপ্রমাণ হাতে পেলেও এখনও বেশ কিছু বিষয়ে তদন্ত রিপোর্ট হাতে পায়নি পুলিশ। যেমন আফতাব এবং শ্রদ্ধার ব্যবহৃত জিনিসপত্রের ফরেন্সিক পরীক্ষার রিপোর্ট এখনও হাতে আসেনি। দিল্লি পুলিশ সূত্রে খবর, ওই রিপোর্ট হাতে এলে অনেক রহস্যের কিনারা হতে পারে।




