National Special News Special Reports

বাজার থেকে উধাও ২ হাজার টাকার নোট, কেন জানেন ?

0
(0)

খবর লাইভ : এটিএম (ATM) থেকে এখন আর ২,০০০ টাকার নোট (Rs 2,000 currency notes) পাওয়া যায় না?দোকান-বাজারেও কার্যত দেখা নেই। কোথায় গেল সেই গোলাপি নোট?

বিভিন্ন কারণে ২,০০০ টাকার নোটের প্রচলন মারাত্মক ভাবে কমে গিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের (RBI) সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই কমছে এই সংখ্যা। এই নোট কমে যাওয়ার পিছনে একটি প্রধান কারণ হল, আরবিআই গত কয়েক বছরে একটিও ২,০০০ টাকার নোট ছাপায়নি।

তথ্য জানার অধিকার (RTI)-এ সাম্প্রতিক একটি জবাব অনুযায়ী, ২০১৯ সালে ২,০০০ টাকার নোট ছাপানো বন্ধ করে দিয়েছে আরবিআই। ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নোট মুদ্রণ বিভাগ ওই আরটিআই-এ জানিয়েছে, “২০১৯-২০, ২০২০-২১ এবং ২০২১-২২ আর্থিক বছরে ছাপানো ২,০০০ টাকার নোটের সংখ্যা শুন্য ।

আরও পড়ুনঃ অনুব্রত কন্যার নামে নতুন লটারির হদিস, দাবি সিবিআইয়ের

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬-১৭ সালে ২,০০০ টাকার নোট ছাপানো হয়েছিল ৩৫৪ কোটির (৩৫৪৪২.৯৯১ মিলিয়ন) মতো। পরের বছর সেই সংখ্যা এক ধাক্কায় কমে যায় অনেকটাই। ২০১৭-১৮ সালে ছাপানো হয়েছিল ১১ কোটির (১১১.৫০৭ মিলিয়ন) কিছু বেশি ২,০০০ টাকার নোট। ২০১৮-১৯ সালে এই নোটি ছাপানো হয়েছিল মাত্র সাড়ে চার কোটির (৪৬.৬৯০ মিলিয়ন) কিছু বেশি।

২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর নোটবন্দি ঘোষণা করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। বাজার থেকে তুলে নেওয়া হয় সমস্ত ৫০০ এবং ১,০০০ টাকার পুরনো নোট। ওই দুই নোট বাতিল করে ছাড়া হয় নতুন ৫০০ টাকা এবং ২,০০০ হাজার টাকার নোট। এই পরিকল্পনার উদ্দেশ্য ছিল কালো টাকা এবং জাল নোট প্রতিরোধ।
ধীরে ধীরে ২,০০০ টাকার নোট ছাপানো কমিয়ে দেওয়ার অন্যতম কারণ, নোটবন্দির পর কয়েক বছর ধরে জাল নোট উদ্ধার অনেকটাই বেড়েছে। আর তার বড়ো অংশ জুড়ে রয়েছে এই ২,০০০ টাকার নোট। একটি তথ্য বলছে, গত অর্থবর্ষে জাল নোটের সংখ্যা বেড়েছে দেশে। এই সময়ে ১৩,৬০৪টি ২,০০০ টাকার জাল নোট ধরা পড়েছে।
এনসিআরবি (NCRB)-র তথ্য উল্লেখ করে সম্প্রতি সংসদে কেন্দ্রীয় সরকার জানায়, ২০১৬ সালে ২,০০০ টাকার নোট প্রচলনের পর থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত মোট ২,৪৪,৮৩৪টি ২,০০০ টাকার জাল নোট উদ্ধার হয়েছে।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *