খবর লাইভ : উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটদানে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত আবারও তৃণমূলকে পুনর্বিবেচনা করতে অনুরোধ করলেন বিরোধী জোটের প্রার্থী মার্গারেট আলভা। শনিবার তিনি টুইটে লেখেন, এই গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে নিরপেক্ষ থাকা বিরোধীদের সাহায্য করবে না। এতে সুবিধা হবে শাসকদলের। কংগ্রেস নেত্রী তথা উপরাষ্ট্রপতি পদে বিরোধীদের প্রার্থী মার্গারেট আলভা তৃণমূলকে স্মরণ করিয়ে দেন, এখনও সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার সময় রয়েছে। তৃণমূল সাংসদরা যাতে তাঁদের বিবেক অনুযায়ী ভোট দেন, নেতৃত্বকে সেই ব্যবস্থা করার পরামর্শ দেন প্রবীণ কংগ্রেস নেত্রী। তিনি টুইটে আরও লিখেছেন, তৃণমূল বিরোধী গোষ্টীর একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি।
তৃণমূল অবশ্য মার্গারেট আলভার প্রস্তাব পত্রপাঠ খারিজ করে দিয়েছে। দলের রাজ্য মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, উপরাষ্ট্রপতি পদের প্রার্থী বাছাই নিয়ে পদ্ধতিগত বিষয়ে আপত্তি রয়েছে তৃণমূলের। সেই কারণেই ভোট প্রক্রিয়া থেকে বিরত থাকছে দল।
কুণালের এই প্রতিক্রিয়া থেকেই স্পষ্ট যে, তৃণমূল উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটদানে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত আর পুনর্বিবেচনা করছে না। এর আগেও মার্গারেট আলভা তৃণমূলকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার অনুরোধ করেছিলেন। তিনি তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করবেন বলেও জানিয়েছিলেন।
তৃণমূলের অভিযোগ, নেত্রীর সঙ্গে কোনও আলোচনা না করেই বিরোধী নেতৃত্ব উপরাষ্ট্রপতি পদে মার্গারেট আলভার নাম ঘোষণা করে দিয়েছেন। এর প্রতিবাদে তারা উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটদানে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আলভার নাম ঘোষণার পর এই নির্বাচনে তাদের কী ভূমিকা হবে, তা চূড়ান্ত করা হবে ২১ জুলাই দলের সাংসদদের বৈঠকে, এমনটাই জানান মমতা। ২১ জুলাই শহীদ সমাবেশের পর কালীঘাটে নেত্রী সাংসদদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে সাংসদদের মতামতের ভিত্তিতে ভোটদানে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বাম এবং কংগ্রেসের অভিযোগ, ভোটদানে বিরত থাকার অর্থ হল বিজেপিকে সুবিধা করে দেওয়া। কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী তো খোলাখুলিই বলে দেন, এতে ফের স্পষ্ট হল যে, তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির গোপন আঁতাঁত রয়েছে। তৃণমূল অবশ্য তা মানতে রাজি নয়।




