খবর লাইভ : শেষ পর্যন্ত তাঁর সঙ্গে কত জন বিদ্রোহী বিধায়ক থাকবেন , এখন তা নিয়ে সংশয় ভুগছেন শিবসেনার বিক্ষুব্ধ নেতা একনাথ শিন্ডে। আরও দুই তিনজন বিদ্রোহী গুয়াহাটিতে গিয়েছেন ঠিকই, কিন্তু মুম্বইয়ে ফিরলে এই সংখ্যা একই থাকবে কি না, বুঝে উঠতে পারছেন না শিন্ডে। জানা গিয়েছে, গুয়াহাটির যে পাঁচতারা হোটেলে তাঁরা ঘাঁটি গেড়েছেন, তার বুকিংয়ের মেয়াদ আরও দু’দিন বাড়ানো হয়েছে। বুকিং ছিল ২৮ জুন পর্যন্ত। এর থেকে বোঝা যাচ্ছে অন্তত আরও দিন পাঁচেক শিন্ডেবাহিনী মুম্বইমুখো হচ্ছে না।
আরও পড়ুনঃ কেন মৃত্যু সুজিতের? হাসপাতালের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ দায়ের
রাজনৈতিক মহলের মতে, আসলে একনাথদের এই বিদ্রোহকে ঘিরে স্নায়ুর লড়াই চলছে এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ারের সঙ্গে মোদি-শাহ জুটির। এই লড়াইয়ের ফলে অন্য পক্ষরা শুধু সুবিধাটুকুই পাবেন। এর আগে ২০১৯ সালেও যখন মহারাষ্ট্রে সরকার গড়া নিয়ে জটিলতা দেখা গিয়েছিল, তখন শক্ত হাতে হাল ধরেছিলেন পাওয়ার। তখনও মূল লড়াইটা ছিল মোদি-শাহ এবং পাওয়ারের মধ্যেই। বিজেপিকে ঠেকাতে পাওয়ার অনেক কৌশলী চাল চেলে এনসিপি, কংগ্রেস এবং শিবসেনাকে নিয়ে মহারাষ্ট্র বিকাশ অগাড়ি জোট গঠন করেছিলেন। বিজেপির দীর্ঘদিনের জোটসঙ্গী শিবসেনাকে তাদের কব্জা থেকে বের করে আনতে কম কসরত করেননি পাওয়ার।
এদিকে শনিবার রাতেই এক টুইটে বিক্ষুব্ধ শিবসেনা বিধায়ক চিমনরাও পাতিল বলেন, আমরা ঐতিহ্যের দিক থেকেই এনসিপি এবং কংগ্রেসের তীব্র বিরোধী। বিভিন্ন কেন্দ্রে তারাই শিবসেনার মূল প্রতিদ্বন্দ্বী। সেই কারণেই আমরা মুখ্যমন্ত্রীকে বলছি একটি প্রকৃত এবং স্বাভাবিক জোট গঠন করা হোক। পাতিলের ওই বক্তব্য শিন্ডে টুইট করেন।




