খবর লাইভ : এ বার নজরুল মঞ্চে কেকে-এর জলসার পর কনসার্ট আয়োজন নিয়েও একগুচ্ছ এসপিও বা নিয়ম তৈরি করার ভাবনা কেএমডিএ-এর। শুক্রবার তেমনই ইঙ্গিত দিলেন কেএমডিএ-এর চেয়ারম্যান ফিরহাদ হাকিম।
কী রকম নিয়মের কথা ভাবছে কেএমডিএ? উল্লেখ্য শুক্রবারই নজরুল মঞ্চে শো রয়েছে সঙ্গীত শিল্পী অনুপম রায়ের। একটি বেসরকারি কলেজের ফেস্টে তিনি গান গাইবেন। সেই শোয়ের আগেই একগুচ্ছ নির্দেশিকা মানতে হয়েছে আয়োজকদের। পুলিশের তরফ থেকে বলা হয়েছে, এক জন চিকিৎসক, একটি অ্যাম্বুল্যান্স রাখতে হবে সবসময়। পাশাপাশি, যতটা সিট ক্যাপাসিটি, অর্থাৎ দর্শকাসনে যতজনের প্রবেশ করা সম্ভব, ততজনকেই প্রবেশ করাতে হবে। যে অ্যাম্বুল্যান্স ও চিকিৎসক সেখানে থাকবেন, তার ফোন নম্বর থাকতে হবে পুলিশের কাছে। পাশাপাশি, আলাদা করে মাদক দ্রব্য নিয়ে ভেতরে যাতে কেউ প্রবেশ করতে না পারে, সেই জন্য গেটে তল্লাশিও করছে প্রশাসন।
কিছুটা সেই ধাঁচেই এসওপি তৈরি করার ভাবনা কেএমডিএ-এর। ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, যেমন করে রোয়িং ক্লাবে এসওপি হয়েছে, এখানেও সেভাবেই এসওপি তৈরি করা হবে। কে শিল্পী, পুলিশের অনুমতি আছে কি না, বড় শিল্পী হলে (যে খানে অতিরিক্ত ভিড়ের সম্ভাবনা থাকে) অ্যাম্বুল্যান্স রাখতে হবে, আবার ছোট কোনও অনুষ্ঠান হলে কী করতে হবে, রাতভর কনসার্ট হলে কী করতে হবে, এগুলো ঠিক করা হবে।
নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে যেমন সাত হাজার লোক ধরে, সেখানে টিকিটে স্ট্যাম্প চিহ্নিত করণ দেয় কর্তৃপক্ষ। সেই চিহ্নিত টিকিটেই প্রবেশ করা যায়। এমন নিয়মও কেএমডিএ-এর আওতায় থাকা স্থানগুলিতে চালু করার কথা ভাবছে প্রশাসন। পাশাপাশি, কোনও কলেজের অনুষ্ঠান হলে সেখানে কলেজ বা প্রতিষ্ঠানের প্রিন্সিপালের অনুমতি নিতে হবে। দর্শক কারা থাকবে, সেটাও জানাতে হবে। সেই অনুসারে পুলিশি ব্যবস্থা হবে। রাখতে হবে চিকিৎসক, অ্যাম্বুল্যান্সও। এখনও এই গোটা নিয়মটি ভাবনা চিন্তা শুরু করেছে কেএমডিএ।




