খবর লাইভ : গত শনিবার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক মিডিয়ায় ঘোষণা করেছিলেন, ভেনেজুয়েলা ও তার আশপাশের সব আকাশসীমা সম্পূর্ণ বন্ধ বলে ধরা উচিত। তিনি বিমান, পাইলট, মাদক পাচারকারী এবং মানব পাচারকারী সব পক্ষকে সরাসরি সতর্ক করেছিলেন।
এই মন্তব্যের পর তড়িঘড়ি জল্পনা শুরু হয় যে আমেরিকা হয়তো ভেনেজুয়েলায় সামরিক অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। সেই ঘোর সংকটের মধ্যেই এবার ট্রাম্প স্বীকার করলেন, তিনি সম্প্রতি নিকোলাস মাদুরোর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। তবে ফোনালাপের বিস্তারিত জানাতে অনিচ্ছুক। কেমন আলোচনা হয়েছিল, সেটি ভাল না খারাপ সেটাও স্পষ্ট করেননি। ট্রাম্প বলেছেন, তিনি মন্তব্য করবেন না কী আলোচনা হয়েছিল, শুধু এটুকুই নিশ্চিত যে আমরা কথা বলেছি।
পটভূমি ও প্রতিক্রিয়া
এই আকাশসীমা বন্ধের ঘোষণা এমন সময় এসেছে, যখন আমেরিকা এবং ভেনেজুয়েলার সম্পর্কের দ্বন্দ্ব বহু দিন থেকে তীব্র। যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলাকে নাশকতা, মাদক পাচার ও নিরাপত্তা হুমকির অভিযোগে দায়ী করে আসছে।
ভেনেজুয়েলার পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্তকে উপনিবেশবাদী হুমকি বলে নিন্দা জানানো হয়েছে। দেশটির সরকার বলেছে, এই ধরনের একতরফা ঘোষণা তাদের সার্বভৌমত্ব ও আকাশসীমার সীমান্তকে দখল করছে।
যদিও ফোনালাপটি হল, কিন্তু দু’পক্ষই আলোচনার বিষয়বস্তু গোপন রাখার পক্ষ নিয়েছেন, যা ভবিষ্যতে কূটনৈতিক উত্তেজনা বা সমঝোতার উভয় সম্ভাবনাই তৈরি করছে।
এবারকার ফোনালাপ ও আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণার মধ্য দিয়ে দেখা যাচ্ছে, যদিও কূটনৈতিক সম্পর্কের দরজা খুলে রাখা হয়েছে, তবু উত্তেজনা এবং অনিশ্চয়তা ফলাও করে প্রচার করা হয়েছে।
ট্রাম্পের আগ্রাসী ভাষা এবং হুড়োহুড়ি পরিস্থিতি, ভেনেজুয়েলার সার্বভৌমত্ব নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ তৈরি করেছে। একই সঙ্গে, এই প্রক্রিয়া ভবিষ্যতে কী দিকে মোড় নেবে সামরিক চাপ, কূটনৈতিক সমঝোতা, না নড়বড়ে উত্তেজনার সেটা এখনই বলা কঠিন। ফোনালাপ হলেও ধারাবাহিক পদক্ষেপ বা নীতি স্পষ্ট না থাকায়, দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক এখনো ঝুঁকিপূর্ণ।




