খবর লাইভ : নিজেদের মধ্যে কথোপকথনের জন্য উপত্যকা অঞ্চলে যে মোবাইল অ্যাপগুলি ব্যবহার করে জঙ্গিরা, সেগুলি চিনে তৈরি এবং ভারতে নিষিদ্ধ। এই অ্যাপগুলিতে তথ্য গোপনের পন্থা (এনক্রিপশন) অনেক শক্তিশালী।
জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে পর্যটকদের উপর জঙ্গি হামলার ঘটনার তদন্ত করছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। এখনও হামলাকারীদের কাউকে ধরা যায়নি। অনন্তনাগ-সহ কাশ্মীরের বিস্তীর্ণ অংশে চিরুনিতল্লাশি চালাচ্ছে স্থানীয় পুলিশ এবং সেনাবাহিনী। সূত্রের খবর, গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, নিজেদের মধ্যে কথোপকথনের জন্য কয়েকটি বিশেষ চিনা অ্যাপ ব্যবহার করছে জঙ্গিরা। পহেলগাঁও হামলার পরিকল্পনাও হয়েছিল ওই অ্যাপের মাধ্যমেই। এমনকি, ব্যবহার করা হয়েছিল চিনা ‘স্যাটেলাইট ফোন’।
২০২০ সালে গালওয়ানে চিনা ফৌজের সঙ্গে সংঘর্ষের পর চিনের ওই অ্যাপগুলি নিষিদ্ধ করেছিল ভারত সরকার। এই অ্যাপগুলিতে তথ্য গোপনের পন্থা (এনক্রিপশন) অনেক শক্তিশালী এবং আধুনিক। ফলে এগুলি সহজে হ্যাক করা যায় না। এই অ্যাপের মাধ্যমে কী কথাবার্তা চলছে, বাইরে থেকে সহজে তার নাগাল পাওয়া যায় না।
পহেলগাঁওয়ের ঘটনার দিন ওই এলাকাতেই একটি চিনা ‘স্যাটেলাইট ফোন’ ছিল। গোয়েন্দাদের র্যাডারে তা ধরা পড়েছে। কিন্তু ফোনটি উদ্ধার করা যায়নি। তদন্তকারীরা একটি বিষয়ে নিশ্চিত, জঙ্গিরা নিজেদের মধ্যে কথাবার্তা চালিয়ে গিয়েছিল এই ফোন ব্যবহার করেই। ‘স্যাটেলাইট ফোন’ কী? ‘স্যাটেলাইট ফোন’ আর পাঁচটা সাধারণ মোবাইল ফোনের মতোই দেখতে। কিন্তু মোবাইলের মতো টাওয়ারে তা চলে না। কৃত্রিম উপগ্রহ বা স্যাটেলাইটের সঙ্কেত ব্যবহার করে এই ফোনে কথোপকথন চলে।
তদন্তকারীদের ধারণা, পহেলগাঁওয়ের পরিকল্পনায় চিনের ‘স্যাটেলাইট ফোন’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল। এনআইএ এই বিষয়গুলি খতিয়ে দেখছে।




