খবর লাইভ : ছাব্বিশ জন মানুষের প্রাণ শেষ করেছে দিয়েছে পাকিস্তান মদতপুষ্ট জঙ্গিরা। তবে এই হত্যার যে যোগ্য জবাব ভারত দেবে, তা প্রধানমন্ত্রী থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এমনকী কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রীও বার্তা দিয়েছেন। এই আবহের মধ্যেই জানা গিয়েছে, নিরাপত্তা নিয়ে উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠক হবে নয়া দিল্লিতে।
বুধবার সন্ধে ছ’টায় বৈঠকে বসেন তিন সেনাপ্রধান। সঙ্গে আছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। আর ভিডিয়ো কনফারেন্সে কাশ্মির থেকে বৈঠকে যোগ দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
ঘটনার পরই সেনাপ্রধান গোটা বিষয়টি জানিয়েছেন রাজনাথ সিংকে। অপরদিকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীনে যে কটি এজেন্সি রয়েছে, তাঁদের প্রধানদের সঙ্গেও বৈঠক করেন অমিত শাহ। আজও দফায়-দফায় বৈঠক করেছেন তিনি। জঙ্গিদের ধরতে গোয়েন্দারা কী কাজ করছেন, ভারতই বা কতটা প্রস্তুত তা সবটাই খতিয়ে দেখছেন খোদ অমিত শাহ নিজে। আর সন্ধে ছ’টার এই বৈঠকে যে অত্যন্ত কঠোর সিদ্ধান্ত যে নয়া দিল্লি নিতে পারে তাই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ।
মঙ্গলবার কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গিহানায় অন্তত ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গেরও তিন জন রয়েছেন। ওই হামলার দায় স্বীকার করেছে পাক জঙ্গিগোষ্ঠী লশকর-ই-ত্যায়বার ছায়া সংগঠন ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’ (টিআরএফ)। টিআরএফের উত্থান ২০১৯ সালে, কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বিলোপ হওয়ার পর। টিআরএফের জন্ম হয়েছিল কাশ্মীরি জঙ্গি শেখ সাজ্জাদ গুলের হাতে। সে সময় জম্মু ও কাশ্মীরের ‘বিশেষ মর্যাদা’-র সদ্য অবলুপ্তি হয়েছে। ঠিক সেই রাজনৈতিক পরিস্থিতির মাঝেই লশকরের ‘ছায়া সংগঠন’ হিসাবে উঠে আসে টিআরএফ।




