খবর লাইভ : মহাকাশে আটকে সুনীতা উইলিয়ামস। ভারতীয় বংশোদ্ভূত এই মহাকাশচারীর পৃথিবীতে ফেরা নিয়ে আশঙ্কা ক্রমশ বাড়ছে। এই নিয়ে এবার মুখ খুললেন ইসরো প্রধান এস সোমনাথ।
একটি সাক্ষাৎকারে চন্দ্রযান ৩-র নেপথ্যনায়ক বলেন, ‘ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন থেকে সুনীতা উইলিয়ামসদের ফেরা নিয়ে এতটা গভীর আশঙ্কার কোনও কারণ নেই। ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন একটি অত্যন্ত নিরাপদ স্থান। দীর্ঘদিন সেখানে সুস্থভাবে থাকতে পারেন মহাকাশচারীরা। সমস্ত রকম বন্দোবস্ত রয়েছে সেখানে।’ তাঁর সংযোজন, ‘সুনীতা উইলিয়ামস ছাড়াও আরও ন’জন মহাকাশী রয়েছেন সেখানে। তাঁরা কেউই আটকে নেই। এমন শব্দপ্রয়োগ অনুচিত।’
তবে পৃথিবীতে ফিরতে করতে পারবেন সুনীতা উইলিয়ামস সহ বাকি মহাকাশচারীরা। এ প্রসঙ্গে এস সোমনাথ বলেন, ‘কোনও না কোনওদিন সকলকেই ফিরে আসতে হবে। নতুন মহাকাশযান বোয়িং স্টারলাইনকারের কর্মক্ষমতা যাচাই করতেই গিয়েছেন তাঁরা। কী ভাবে সেটি মহাকাশে ঘুরপাক খেতে পারে, কী ভাবে নিরাপদে পৃথিবীর মাটিতে ফিরে আসতে পারে, এগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মহাকাশচারীদের ফেরানোর নানারকম প্রযুক্তি রয়েছে সে মহাকাশযানে। ফলে কোনও সমস্যা নেই। তাছাড়া ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনে অনেকদিন থাকার বন্দোবস্ত রয়েছে মহাকাশচারীদের জন্য।’
বোয়িং স্টারলাইনার কি সফলভাবে মহাকাশ অভিযান করতে সক্ষম? এ প্রসঙ্গে ইসরো প্রধানের বক্তব্য, ‘যখন আমরা বোয়িং স্টারলাইনারের মতো কোনও মহাকাশযান তৈরি করি, আমাদের মূল লক্ষ্য থাকে সেটি অভিযান সেরে সফলভাবে পৃথিবীতে ফিরতে পারবে কি না, তা যাচাই করে নেওয়া। বোয়িং স্টারলাইনারের ক্ষেত্রেও এই বিষয়টি নিয়েই মাথা ঘামানো হয়েছে বলে আমার অনুমান।’
সেখানে বাকি নভোশ্চরদের সঙ্গে গবেষণার কাজে হাত লাগিয়েছেন তাঁরা। কিন্তু আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে পৌঁছনোর পথেও মহাকাশযানটি থেকে ছিদ্রপথে হিলিয়াম বেরোতে দেখা গিয়েছে। পাশাপাশি থ্রাস্টারেও সমস্যা দেখা দেয়। মহাকাশযানের নীচে যে নলাকার অংশটি যুক্ত রয়েছে, তাকে সার্ভিস মডিউল বলে, তাতেই উড়ানের শক্তি মজুত থাকে। সেটিতেও বেশ কিছু সমস্যা দেখা দেয়। ফলে গোঁত্তা খেতে খেতে, বিপদ মাথায় নিয়ে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে পৌঁছন সুনীতা এবং ব্য়ারি।




