খবর লাইভ : উত্তরে প্রবল বৃষ্টি চলছে, দক্ষিণেও হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হচ্ছে। কিন্তু বৃষ্টির পরিমাণ না বাড়লে ডেঙ্গি-ম্যালেরিয়ার আশঙ্কা থেকেই যাবে । ফলে ফের পুরসভাগুলিকে সতর্ক করল নবান্ন। মশাবাহিত মারণরোগ ডেঙ্গি পরিস্থিতি পর্যালোচনা নিয়ে এদিন সকালে মুখ্যসচিব বৈঠক করেন বিভিন্ন জেলার জেলাশাসকদের সঙ্গে। “পুরসভাগুলিকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নের উপর আরও বেশি নজর দিতে হবে। কোনও পুরসভার ঢিলেমি মানা হবে না।” জেলাশাসকদের কড়া বার্তা মুখ্যসচিবের।
গতবারের থেকে শিক্ষা নিয়ে যে যে এলাকায় গতবার ডেঙ্গি সংক্রমণ সবথেকে বেশি ছিল সেই এলাকার জেলাশাসকদের এদিনের বৈঠকে বিশেষভাবে সতর্ক করল নবান্ন। উত্তর ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, নদিয়া জেলাকে বিশেষ ভাবে সতর্ক করল নবান্ন। মালদহের ইংরেজবাজার, কালিয়াচক, উত্তরবঙ্গের কয়েকটি চা বাগান এলাকায় বর্তমানে ডেঙ্গি সংক্রমণ রয়েছে। সেই এলাকার জেলাশাসকদের ও পুরসভাগুলিকে বাড়তি নজর দেওয়ার নির্দেশ এদিনের বৈঠকে বলেই নবান্ন সূত্রে খবর।
গত সপ্তাহেই ১১০০ ছাড়িয়েছে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা। জুন মাস শেষ হতে চললেও তেমন বৃষ্টি হয়নি কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে। ফলে দক্ষিণবঙ্গে ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে এই মশাবাহিত রোগ। ডেঙ্গির বাহক মশা এডিস ইজিপ্টাই শুষ্ক শীতল আবহাওয়ায় জন্মায় না। রাজ্যের একাংশে ব্যাপক গরম রয়েছে। তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে মশার উপদ্রব। তাই রাজ্যজুড়ে ডেঙ্গি হচ্ছেই।
স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, রাজ্যের ১৬টি জেলায় ডেঙ্গি আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলেছে। তার মধ্যে মালদা শীর্ষে। ডেঙ্গির এই বাড়বাড়ন্তে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন সাধারণ মানুষজন। নবান্ন বুধবারই তাই জেলাগুলির জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করে পরিস্থিতি নিয়ে আরও সতর্ক হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।




