খবর লাইভ : নবান্নে পুরসভা নিয়ে বৈঠকে রুদ্রমূর্তি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আর বৈঠকের শুরুতেই মমতার নিশানায় হাওড়া। সেই সূত্রেই সরাসরি তিনি নিশানা করেন হাওড়ার প্রাক্তন মেয়র তথা বর্তমানে বিজেপি নেতা রথীন চক্রবর্তীকে। মমতা বলেন, হাওড়ার ক্ষেত্রে রথীন (চক্রবর্তী) যখন মেয়র ছিল, তখন পুরোটা বারোটা বাজিয়ে দিয়ে গিয়েছে। সোমবার রীতিমতো ক্ষোভ প্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আজ থেকে কোনও টেন্ডার লোকালি থাকবে না, সব সেন্ট্রালি হবে। একটা কমিটি করে দিচ্ছি। কিছু হলে কমিটির সবাইকে ধরব। আরবান ডিপার্টমেন্টের সেক্রেটারির কাজ কী? ৪০০-৫০০ লোক কারও হাত পা টিপে দিচ্ছে।
হাওড়া পুরসভা নিয়ে এদিন একাধিক অভিযোগ তুলেছেন মমতা। তাঁর কথায়, হাওড়া পুরসভার প্রশাসক নিজে একাই সব করছেন। কোনও কাউন্সিলররা নেই বলে বিধায়করা সুবিধা নিচ্ছেন। এসডিও-রা কাজ করছেন না। হাওড়াতে অনেক জায়গায় অবৈধ পার্কিং আছে, যেখান থেকে টাকা তোলা হয়। পুলিশ যদি সচেতন হয়, অনেক কাজ হয়। কে বিধায়ক, কে কোন দল, তা দেখবেন না।
মুখ্যমন্ত্রীর সংযোজন, হাওড়ায় তো কোনও বোর্ড নেই। ফলে চার জন বিধায়ক, যা ইচ্ছা তাই করে নিচ্ছেন। নাম করছি না। আমি তো কারও চাকরি খাচ্ছি না। আজ আমার বলার দিন। আপনাদের শোনার দিন। আমি অনেক ধৈর্য্য ধরেছি। ধৈর্য্য ধরে রাখার মানে জমি দখল করবো এটা নয়। এসডিও-দের শোকজ কর।পুরসভা নিয়ে বৈঠকের মাঝেই মমতা নির্দেশ দিয়ে বলেন, বিবেক কুমার তুমি ভূমি দফতর দেখবে। বিএলআরও, ডিএলআরও মাত্র এক শতাংশ হয়ত ভাল পাওয়া যাবে। দরকারে বাকিদের চেঞ্জ করে দাও। জমি দখল করেছে যারা, তারা টোটালটাই ভোটটা দিয়েছে বিজেপি-কে।




