খবর লাইভ : গোটা দেশ এইমুহূর্তে কার্যত উত্তাল। নিট এবং নেট নিয়ে এই চূড়ান্ত বিতর্কের মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিল কেন্দ্রীয় সরকার। দেশের বিভিন্ন প্রবেশিকা এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বেনিয়ম ও প্রশ্নফাঁস রুখতে নয়া আইন কার্যকর করার কথা ঘোষণা করল তারা।
পাবলিক এগ্জামিনেশন অ্যাক্ট, অর্থাৎ প্রিভেনশন অব আনফেয়ার মিনস সংসদে পাশ হয়েছিল গত ফেব্রুয়ারি মাসেই। আর এখন নিট এবং নেট নিয়ে বিতর্ক মাথাচাড়া দিতেই সেই আইনের নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্র।
আরও পড়ুনঃ আজ ইউরো কাপে তুরস্কের সামনে পর্তুগাল, নজরে রোনাল্ডো
বৃহস্পতিবারই এই আইন কার্যকর করা নিয়ে রীতিমতো প্রশ্নের মুখে পড়েন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি জানান, আইন মন্ত্রক ইতিমধ্যেই এই আইন সংক্রান্ত নিয়ম তৈরি করেছে। তার ঠিক এক দিন পরেই নতুন পরীক্ষা আইন কার্যকর করার কথা জানিয়ে দিল কেন্দ্র।
শুক্রবার থেকে কার্যকর হল এই আইন। আর এই আইন অনুযায়ী, কোনও ব্যক্তি যদি প্রশ্নপত্র ফাঁস কিংবা উত্তরপত্রে বেনিয়ম করতে গিয়ে ধরা পড়েন, তা হলে তাঁর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করা হবে। যদি তিনি দোষী প্রমাণিত হন তাহলে ন্যূনতম তিন বছরের জেল খাটতে হবে। সেইসঙ্গে, সর্বাধিক পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাবাসের সাজা ঘোষণা হতে পারে। শুধু তাই নয়, দিতে হতে পারে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা।
নিয়ামক সংস্থা পরীক্ষা প্রক্রিয়ায় জালিয়াতি হচ্ছে জেনেও যদি চুপ থাকে, তাহলে তাদের ১ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা দিতে হতে পারে।
অন্যদিকে, নিয়ামক সংস্থার কোনও উচ্চপদস্থ আধিকারিক যদি দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত থাকেন, তা হলে তাঁর ন্যূনতম তিন বছরের সাজা হতে পারে। সেইসঙ্গে, সর্বাধিক ১০ বছরের জেল এবং ১ কোটি টাকার জরিমানা। আর যদি কর্তৃপক্ষ অথবা আয়োজক সংস্থার কেউ এই অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকেন, তা হলে ন্যূনতম পাঁচ বছর এবং সর্বাধিক ১০ বছর পর্যন্ত সাজা হতে পারে। আর জরিমানা করা হতে পারে ১ কোটি টাকা।
এই সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে ‘ভারতীয় ন্যায় সংহিতার’ উল্লেখ থাকলেও জানানো হয়েছে যে, তা কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত ভারতীয় দণ্ডবিধির ধারাগুলিই এই আইনের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে।




