National Special News Special Reports

অযোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগের সুপারিশে মাধ্যম ছিল ই-মেল, দাবি ইডির

0
(0)

খবর লাইভ : কি করে অযোগ্য প্রার্থীদের নাম স্কুল সার্ভিস কমিশন-এর প্যানেলের জন্য সুপারিশ করা হত, কী ভাবে দেওয়া হত নিয়োগপত্র, আদালতে নথি দিয়ে তা জানিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। বেআইনি নিয়োগের ক্ষেত্রে এক দফতর থেকে ইডির আরও দাবি, অন্য দফতরে কী ভাবে ইমেলের মাধ্যমে সমন্বয় করা হত, তা-ও জানা গিয়েছে।

আদালতে ইডি দাবি করেছে, এসএসসিতে প্যানেলের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও ১৮৩ জন অযোগ্য প্রার্থীকে চাকরি দেওয়া হয়েছিল। সেই চাকরি পাওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছিল অনেক ভুয়ো সুপারিশপত্র। এর পর সেই সুপারিশপত্র পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ এর কাছে। সেই দফতরের বেশ কয়েক জন কর্মীর মাধ্যমে অযোগ্য প্রার্থীদের ভুয়ো নিয়োগপত্র প্রকাশিত হত। এমনটাই দাবি ইডি।

তাদের আরও দাবি, এই ভুয়ো সুপারিশপত্র তৈরির কাজটি করেছিলেন এসএসসির অস্থায়ী কর্মী সমরজিৎ আচার্য। আর তিনি এ সব করেছেন এসএসসির উপদেষ্টা কমিটির প্রাক্তন প্রধান শান্তিপ্রসাদ সিনহার নির্দেশে।

ইডির দাবি, এই সুপারিশগুলো এসেছিল মূলত ‘মিডলম্যান’ প্রসন্নকুমার রায়ের থেকে। তাঁর হয়ে আবার কাজ করতেন প্রদীপ সিং ওরফে ছোটু। ইডি দাবি করেছে, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এজেন্টদের সঙ্গে যোগ ছিল প্রসন্নের। ওই এজেন্টদের মাধ্যমেই টাকার বিনিময়ে অযোগ্য প্রার্থীদের বিষয়ে তথ্য জোগাড় করতেন প্রসন্ন। তার পর বেআইনি ভাবে তাঁদের চাকরির সুপারিশ করতেন শান্তিপ্রসাদের কাছে। নিজের কর্মী প্রদীপের মাধ্যমে এই অযোগ্য প্রার্থীদের বিষয়ে প্রসন্ন তথ্য জোগাড় করতেন। প্রসন্নের নির্দেশে প্রদীপ সিং বিভিন্ন এজেন্টের কাছ থেকে অযোগ্য প্রার্থীর নাম জোগাড় করতেন। তাঁদের চাকরি পাইয়ে দেওয়ার জন্য টাকাও তুলতেন। সেই অযোগ্য প্রার্থীদের সুপারিশপত্র কখনও সরাসরি, কখনও সমরজিতের মাধ্যমে শান্তিপ্রসাদকে দিতেন প্রসন্ন।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Tagged

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *