Special News Special Reports State

ভোটের হারের তথ্য দিতে কেন দেরী? ব্যাখ্যা দিল কমিশন

0
(0)

খবর লাইভ  :  শেষ হয়েছে অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচন। কিন্তু সামগ্রিক ভাবে ভোটের হারের তথ্য দিতে অনেক দেরী করে কমিশন। কিন্তু কেন এত দেরি করছিল কমিশন? সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজীব বলেন, সাত দফার তথ্য কেন এখনও দেওয়া হয়নি, এই প্রশ্নের উত্তর এখনই দেওয়া সম্ভব নয়। কারণ, সোমবার পুর্নর্নিবাচন হচ্ছে কয়েকটি বুথে। প্রথমে তথ্য আসার পর তা খতিয়ে দেখা হয়। প্রথম দিনে ভোটিং মেশিন সংরক্ষিত করা হয়। পরের দিন ভোটদানের হার খতিয়ে দেখা হয়। তার পরের দিন দেখা হয় পুর্নর্নিবাচন হবে কি না। চতুর্থ দিনে তথ্য প্রকাশিত হয়। আসলে একের পর এক,অনেকগুলি প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। প্রতি দফাতেই ভোট হওয়ার চতুর্থ দিনে তথ্য দেওয়া হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে রাজীব কুমার বলেন, আমরা আশাবাদী এবং আত্মবিশ্বাসী যে, সে ভাবে হিংসা হবে না। তবে যদি এর বিপরীত কিছু হয়,সেই কারণে কয়েকটি রাজ্যে সিআরপিএফ থাকবে। তার মধ্যে এ রাজ্যও রয়েছে। আমরা নিশ্চিত যে রাজ্য সরকার এবং সিআরপিএফ ভোট পরবর্তী হিংসা হতে দেবে না।

এদিন রাজীব বলেন, দেশে মোট সাড়ে ১০ লক্ষ বুথ রয়েছে। ৩০-৩৫ লক্ষ পোলিং এজেন্ট থাকবেন বাইরে। এ ছাড়াও নজরদারি দল থাকবেন। গণনা কেন্দ্রের অফিসাররা থাকবেন। কোনও ভুল হতেই পারে না। সিসি ক্যামেরা থাকবে। মানুষের ভুল হতেই পারে। কিন্তু ভোটগণনায় কারচুপির কোনও সম্ভাবনা নেই। বিভিন্ন দল ভোটগণনা নিয়ে যে দাবি করেছিলেন, সব মেনে নেওয়া হয়েছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের যে সব অভিযোগ পাওয়া গিয়েছিল, তার ৯০ শতাংশের বেশি কমিশন খতিয়ে দেখেছে। অনেক বড় নেতাদের নোটিশ দেওয়া হয়েছে। যদিও অ্যাম্বুল্যান্স এবং গাড়ি করে টাকা যাচ্ছে— এমন দৃশ্য এ বার দেখা যায়নি। নির্বাচন শুরু হতেই অনেক হোর্ডিং সরানো হয়েছে। নেতাদের পরিজনদের ভোটের দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছে। সমস্ত বিতর্কিত টুইট সরানো হয়েছে। মানুষ এগিয়ে এসে উৎসবের মেজাজে ভোট দিয়েছেন।এ বছর হিংসার সে রকম কোনও ঘটনা ঘটেনি।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *