খবর লাইভ : আদালতের নির্দেশ মতো দুই জুন তিহার জেলে আত্মসমর্পণ করলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। এবার আত্মসমর্পণ করলে বিজেপির ষড়যন্ত্রে কতদিনে তিনি নিজেকে নিরপরাধ প্রমাণ করে বাইরে বেরোতে পারবেন তা নিয়ে সংশয় রবিবার জেলে ঢোকার আগেও প্রকাশ করেন কেজরি। তবে তিনি তার থেকেও বেশি উদ্বেগ প্রকাশ করেন নির্বাচনের গণনা নিয়ে। ৪ জুন ভোট গণনার সময় যেহেতু তিনি নিজে উপস্থিত থাকতে পারছেন না তাই ইন্ডিয়া জোটের শরিক ও তাদের কর্মীদের ভোট গণনা নিয়ে সতর্ক করে দাবি করেন, লোকসভা নির্বাচনে জয় আবশ্যম্ভাবী।
রবিবার দুপুরে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন থেকে বাবা-মায়ের আশীর্বাদ নিয়ে, সন্তানদের আলিঙ্গন করে বেরিয়ে পড়েন। সেখান থেকে রাজঘাটে শ্রদ্ধা জানান। এরপর কনট প্লেসের হনুমান মন্দিরে পুজো দেন। সেখান থেকে আপের সদর দফতরে কর্মীদের উদ্দেশে ভাসন দেন। সেখানেই তিনি দাবি করেন, লোকসভায় বিজেপির জয় সম্ভব নয়।
কেজরিওয়াল দাবি করেন বুথ ফেরৎ সমীক্ষা বিজেপির তৈরি করা নকল সমীক্ষা। তাঁর দাবি, শেয়ার মার্কেটে (share market) মোদি-শাহের বন্ধুরা পয়সা খাটিয়েছেন। ফলে এই রকম ফলাফল দেখানোর পর মার্কেট খুলতেই বিরাট লাভ করেছেন তাঁরা। আরএসএস (RSS)-এর অভ্যন্তরে মোদি-শাহকে নিয়ে যে বিদ্রোহ শুরু হয়েছে, এই ফলাফল দেখিয়ে তাকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। এই কারণে জোটের সব দলের ভোট গণনার এজেন্টদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন তিনি। তাঁর দাবি, ইন্ডিয়া জোটের জয় নিশ্চিত, তাই গণনার সময় সতর্ক থাকতে হবে যাতে বিজেপি সেই ফলাফল বদলে না দিতে পারে।
কর্মীদের জন্য বক্তৃতার পরই দলের শীর্ষনেতাদের সঙ্গে তিহার জেলের পথে রওনা দেন কেজরিওয়াল। আপ নেতা সৌরভ ভরদ্বাজ দাবি করেন, কেজরিওয়াল জেলে গেলেও তাঁর দিল্লি ও দিল্লির মানুষদের দেখাশোনার দায়িত্ব শীর্ষ নেতৃত্বের উপর দিয়ে গিয়েছেন।




