Special News Special Reports State

নিরাপত্তা চেয়ে দার্জিলিং জেলা পুলিশের দ্বারস্থ বিজেপি বিধায়ক বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মা

0
(0)

খবর লাইভ : দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে ‘বিদ্রোহ’ ঘোষণা করে নির্দল প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিজেপি বিধায়ক বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মা। সেই কারণে তার কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়েছে । তাই নিরাপত্তা চেয়ে দার্জিলিং জেলা পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। শুক্রবার গভীর রাতে বিষ্ণুপ্রসাদের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়। পরদিনই জেলার পুলিশ সুপারের কাছে চিঠি লিখে নিজের জন্য নিরাপত্তা চেয়ে তিনি বলেছেন, আচমকা আমার কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়েছে। আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। বাধ্য হয়েই দার্জিলিং জেলার পুলিশ সুপারকে চিঠি লিখে নিরাপত্তা বাহিনী দেওয়ার জন্য আবেদন করেছি।

আরও পড়ুনঃ ইরান এবং ইজরায়েল বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বললেন জয়শঙ্কর

নিরাপত্তা প্রত্যাহার করায় বিজেপি নেতৃত্বের ওপর প্রত্যাশিত ভাবেই ‘ক্ষুব্ধ’ বিষ্ণুপ্রসাদ। কার্শিয়াঙের বিধায়কের বক্তব্য, এই পরিস্থিতিতে তাঁর উপর হামলা হলে দায়ী থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং দার্জিলিং লোকসভা আসনের বিজেপি প্রার্থী রাজু বিস্তা। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কার্শিয়াং থেকে তাঁকে প্রার্থী করে বিজেপি। জয়ী হওয়ার পরে তাঁকে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে দেওয়া হয়েছিল ‘এক্স’ ক্যাটেগরির নিরাপত্তা। বিষ্ণুপ্রসাদের দাবি, এখনও তাঁর ওপরে আক্রমণের আশঙ্কা রয়েছে। তাই তিনি রাজ্য পুলিশের কাছে নিরাপত্তা চেয়েছেন। তবে জেলা পুলিশ সুপারের দফতর থেকে তাঁকে কিছু জানানো হয়নি বলেই জানিয়েছেন বিষ্ণুপ্রসাদ।

তিনি বলেন, দার্জিলিং লোকসভার বিভিন্ন বিধানসভা এলাকায় আমি ভোটের প্রচারে যাচ্ছি। কোনও নিরাপত্তা না থাকায় আমার উপর যে কোনও সময় আক্রমণ হতে পারে। জানি, আমি নির্দল হয়ে ভোটের লড়াই করতে নেমেছি বলেই আমার কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়েছে। তবে এই লড়াই আমার একার নয়। দার্জিলিংয়ের বহু মানুষের মনের কথা জেনেই আমার লড়াইয়ে নামা। তাই নিরাপত্তা তুলে নিলেও আমাকে লড়াই থেকে সরানো যাবে না।এ বারের লোকসভা নির্বাচনে দার্জিলিং কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী হয়েছেন বিদায়ী সাংসদ রাজু। তাঁর মনোনয়নের বিরোধিতা করে ওই কেন্দ্রেই নির্দল প্রার্থী হিসেবে লড়াই করছেন ‘বিদ্রোহী’ বিষ্ণুপ্রসাদ। পৃথক গোর্খাল্যান্ডের দাবি-সহ পাহাড়ের ভূমিপুত্রকে সাংসদ করার দাবিতে ওই অবস্থান নিয়েছেন বলে দাবি তাঁর। পাহাড়ের সাংগঠনিক দায়িত্বে থাকা নেতারা অনেক বুঝিয়েও নিরস্ত করতে পারেননি বিষ্ণুপ্রসাদকে। অগত্যা হাল ছেড়ে দিয়ে ‘বিদ্রোহী’ বিধায়কের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে বিজেপি।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *