খবর লাইভ : বুধবারও মেট্রো প্রকল্পের উদ্বোধনে কলকাতায় এসেছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে মেট্রো প্রকল্প উদ্বোধনের পর তিনি বারাসতে আসেন। এই বারাসতের পাশের লোকসভা কেন্দ্র হল বসিরহাট। তারই অন্তর্গত সন্দেশখালি। আরামবাগ এবং কৃষ্ণনগরের সভায় মোদি সন্দেশখালি প্রসঙ্গে রাজ্য সরকার এবং তৃণমূলকে আক্রমণ করেছেন। সেই সূত্র ধরে বারাসতে আক্রমণের মাত্রা আরও বেশি হবে বলেই মনে করছেন বিজেপি নেতৃত্ব। সেই কারণে এই সভাকে ‘জাতীয় কর্মসূচির মঞ্চ’ বানানোর পরিকল্পনা নিয়েছে বিজেপি।
কৃষ্ণনগরের সভায় সন্দেশখালির মহিলাদের দুর্গা বলে উল্লেখ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেই মহিলাদেরই আজ ত্রিশূল নিয়ে বারাসাতে মোদির সভায় যেতে দেখা গেল। মাসদুয়েক ধরেই অশান্ত সন্দেশখালি। শেখ শাহজাহান ও তাঁর বাহিনীর বিরুদ্ধে সেখানে বারবার নারী নির্যাতন, ধর্ষণ, শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে। এই আবহে আজ বারাসাতে প্রধানমন্ত্রীর সভায় সন্দেশখালির মহিলাদের নিয়ে যাওয়ার উদ্য়োগ নেয় বিজেপি। সন্দেশখালি থেকে নৌকায় চড়ে ধামাখালি পৌঁছন মহিলারা। এরপর বাসে চড়ে বারাসাতে প্রধানমন্ত্রীর সভায় যান তাঁরা।
আরও পড়ুনঃ বাংলায় ভোটে অশান্তি হলে দায়ী থাকবে রাজ্য পুলিশই,কড়া ব্যবস্থারও হুঁশিয়ারি মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের
এদিন বারাসতে মোদি বলেন, ভাজপা সরকারের প্রয়াস হল আপনাদের মতো মহিলাদের ‘লাখপতি দিদি’ তৈরি করা। ৩ কোটি ‘লাখপতি দিদি’ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাংলাতেই ১৬ লাখের বেশি মহিলা ‘লাখপতি দিদি’ ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছেন। মোদি এদিন বলেন, সন্দেশখালিতে যা ঘটেছে তাতে যে কোনও কারও মাথা লজ্জায় নেমে যাবে। কিন্ত তাতে তৃণমূলের কিছু যায় আসে না। তারা সেখানকার অপরাধীদের বাঁচাবার চেষ্টা করছে। আদালতে ধাক্কা খেয়েছ। বাংলা ও দেশের মহিলারা আক্রোশ রয়েছে। বাংলায় সন্দেশখালির ঝড় উঠবে, সন্দেশখালি দেখিয়েছে পশ্চিমবঙ্গে মহিলাদের দৃঢ় কণ্ঠ শুধু বিজেপি।
কারও কারও মনে হচ্ছে, যে কেউ আমার গালি দিয়েছে তাই আমি এঁদের আমার পরিবার বলছি। কিন্তু আসল কথা হল, আমি এক ছোট বয়সে একটি ঝোলা নিয়ে বেরিয়ে পড়েছিলাম। সেই সময় আমার পকেটে কোনওসময় টাকাও থাকত না। কিন্তি আপনারা জানলে অবাক হবেন, আমার পকেটে টাকা থাকত না, ভাষা জানতাম না, কাঁধে ঝোলা থাকত, আমি দেখতাম, কেউ না কেউ, কোনও মা, কোনও বোন, আমায় জিজ্ঞাসা করতেন, কিছু খেয়েছি কি না? কাছে টাকা ছিল না, কিন্তু তাতেও আমি কোনওদিন ক্ষুধার্থ থাকিনি। তাই আমি বলি এটা আমার পরিবার।




