National Special News Special Reports

উত্তরকাশীতে ড্রোনের সাহায্যে আটকে থাকা শ্রমিকদের উদ্ধারের চেষ্টা!

0
(0)

খবর লাইভ : উত্তরাখণ্ডের নির্মীয়মাণ টানেল ধসে নেমে বিপর্যয়। ছয় দিন পেরিয়ে সপ্তম দিনে পড়েছে। এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি উত্তরকাশীতে টানেলে আটকে পড়া শ্রমিকদের। টানেলের মধ্য়ে থেকে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। উত্তরকাশীতে সিল্কইয়ারায় টানেলে কাজ করছে দিল্লি থেকে আনা আমেরিকার ড্রিল মেশিন। মেশিনটি ধ্বংসস্তূপের ২৪ মিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পেরেছে। আরও একটি ড্রিল মেশিন আনা হয়েছে মধ্য প্রদেশের ইন্দোর থেকে। বায়ু সেনার সি-১৬ বিমান প্রায় ২০ টন ওজনের এই বিশালাকার ড্রিল মেশিনটি দেরাদুনে নিয়ে এসেছে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় ভারতীয় বায়ুসেনা সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছে, উদ্ধারকাজ চলছে টানেলে। বায়ুসেনা সাহায্য় করছে উদ্ধারকাজে।

এবার IAF C-17 বিমান প্রায় ২০টন ওজনের একটি বিশাল যন্ত্রকে নিয়ে য়াওয়া হবে ইন্দোর থেকে দেরাদুনে। গত রবিবার ভোরের দিকে উত্তরকাশীর সিল্কইয়ারায় ধস নামে একটি নির্মীয়মান টানেলে। টানেলের মধ্যেই আটকে পড়েন ৪০ জন শ্রমিক। এখনও টানেলেই আটকে রয়েছেন তাঁরা।
টানেলটি নির্মাণের দায়িত্বে রয়েছে জাতীয় সড়ক নির্মাণ উন্নয়ন নিগম বা NHIDC। ওই সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে ঠিকঠাক কাজ করছে আমেরিকার ড্রিল মেশিনটি। তা সত্ত্বেও আরও একটি ড্রিল মেশিন আনা হয়েছে ইন্দোর থেকে বৃহস্পতিবার সকালে আমেরিকার ড্রিল মেশিনটি দিয়ে কাজ শুরু করা হয়। তবে অবশ্য সন্ধের দিকে সামান্য যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয় সেটিতে। মেশিন খারাপ হওয়ার সাময়িক ভাবে বন্ধ হয়ে যায় উদ্ধার অভিযান। সেই ত্রুটি সারিয়ে উদ্ধারকাজ জারি রাখার চেষ্টা চালানো হয়।
এরই মধ্যে ছ’দিন অন্ধকূপে বাংলার ৩। উদ্বেগ বাড়ছে পরিজনদের মধ্যে। উদ্ধারের জন্য তিনটি পরিকল্পনা করা হয়েছিল
১ পাহাড়ে চূড়ো থেকে টানেলে ১০০ ফুট পর্যন্ত উল্লম্ব ড্রিলিং করা। কিন্তু ওই জায়গার অবস্থার অবনতির কারণে অপারেশন শেষ হতে সময় লাগত পারে এক সপ্তাহের বেশি সময়।
দ্বিতীয় হল সনাতন পদ্ধতি অর্থাৎ হাতে খনন করে টানেল তৈরি করা। বেশির ভাগ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ও টানেল নির্মাণে ব্যবহৃত হয়। তিন নম্বর হল ভাঙা শিলাকে শক্তিশালী শিলায় রূপান্তরিত করে উচ্চ প্রযুক্তির পদ্ধতি ব্যবহারের কথা বিবেচনা করা।

প্রসঙ্গত, সাইকোলজিস্ট ডাঃ অর্চনা শর্মা জানিয়েছেন,’এটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক ঘটনা। আটকে পড়া শ্রমিকদের বর্তমান মানসিকতা অবস্থা খুবই আতঙ্কের। অনিশ্চয়তা রয়েছে তাঁদের বেঁচে থাকা নিয়েও।’

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *