খবর লাইভ : মঙ্গলবার বিকেলে নৈহাটির ব়়ড় মায়ের মন্দিরে পুজো দিলেন তৃণমূলের ‘সেনাপতি’ তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন উত্তর ২৪ পরগনার অধিকাংশ তৃণমূল বিধায়ক। কিন্তু দেখা গেল না ব্যারাকপুর শিল্পা়ঞ্চলের চার তৃণমূল বিধায়ককে।
অভিষেকের পাশেই দেখা গিয়েছে বরাহনগরের বিধায়ক তাপস রায়কে। ছিলেন পানিহাটির বিধায়ক নির্মল ঘোষ, দমদমের বিধায়ক তথা রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু, জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শামস। নৈহাটির বিধায়ক তথা রাজ্যের সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক নিজে বড় মায়ের পুজোর অন্যতম উদ্যোক্তা। তিনি যে থাকবেন, তা বলাই বাহুল্য।
আরও পড়ুনঃ ‘ক্যাডার’ খুঁজতে লিঙ্কড ইনে বিজ্ঞাপন আলিমুদ্দিনের!
অভিষেকের পুজো দেওয়ার সময়ে সাংসদও হাজির ছিলেন মন্দির প্রাঙ্গণে। অভিষেকের এই কর্মসূচিতে মদন এবং রাজের ‘অনুপস্থিতি’ নিয়ে তৃণমূলের অন্দরে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। দু’জনেই অবশ্য অনুপস্থিতির কারণ জানিয়েছেন। প্রাক্তন মন্ত্রী মদন বলেছেন, তিনি ওই কর্মসূচির কথা জানতেনই না। রাজ জানিয়েছেন, তিনি কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের বৈঠকে ব্যস্ত ছিলেন। তবে সম্প্রতি রাজকে রেড রোডে দুর্গাপুজোর কার্নিভালে মূল মঞ্চে দেখা যায়নি। তাঁকে দেখা যায়নি আলিপুর জেল মিউ়জ়িয়ামে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিজয়া সম্মিলনীতেও।
কিন্তু দেখা যায়নি চার তৃণমূল বিধায়ককে। তাঁরা হলেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র, খড়দহের বিধায়ক তথা রাজ্যের কৃষি ও পরিষদীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, ব্যারাকপুরের বিধায়ক তথা চলচ্চিত্র পরিচালক রাজ চক্রবর্তী এবং নোয়াপাড়ার বিধায়ক মঞ্জু বসু।




