খবর লাইভ : জেলে গিয়ে নয়া আবদার জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের। জেল সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলে গিয়ে আবদার জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের, “আমি রাজ্যের মন্ত্রী, জেল রাজ্যের আওতায়, এই সেলে থাকব না। আমাকে এসএসকেএম-এ হাসপাতালে পাঠাও। আমার বাঁদিক প্যারালাইসিস হয়ে গিয়েছে।” জেল হাসপাতালে চিকিৎসার পরে চিকিৎসকরা জানান, ‘এখন ভর্তি দরকার নেই। আপনার শারীরিক অবস্থা ঠিক আছে।’জেল সূত্রে খবর, প্রেসিডেন্সি জেলের ৭ নম্বর সেলে আছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। এই সেল দেখার পরেই ক্ষুব্ধ হন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। প্রথম রাতে জেলে গিয়ে অনশনে যাওয়ার হুমকি দেন তিনি।
জেল সূত্রে খবর, জেলের প্রথম রাতে সেলের ভিতরে দেওয়ায় পরে বাড়ির খাবার প্রথম রাতে দেওয়া হয় আদালতের নির্দেশে। তখন জ্যোতিপ্রিয় বলেন, ” আমি বাড়ির খাবারও খাব না। আমায় শুধু আমার ওষুধ দিয়ে দাও।’জেল হাসপাতালে চিকিৎসক বলেন, ‘খাওয়া ছাড়া ওষুধ খাওয়া যাবে না।’ জেল সূত্রে খবর, প্রায় ৭ ঘণ্টা ধরে বুঝিয়ে রাত আড়াইটে নাগাদ খাওয়ানো হয়। এরপরে তাঁকে তাঁর ওষুধ দেওয়া হয়। এর মাঝে তাঁকে বলতে শোনা যায় আমাকে এসএসকেএমে হাসপাতালে পাঠিয়ে দাও।
আরও পড়ুনঃ ‘ক্যাডার’ খুঁজতে লিঙ্কড ইনে বিজ্ঞাপন আলিমুদ্দিনের!
যদিও জেলের দ্বিতীয় দিনে আদালতের নির্দেশে তিনি ডায়েট চার্ট মেনে জেলের খাবারই খেয়েছেন। সোমবার থেকে জেলের খাবারই খেতে হবে মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়কে। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, জ্যোতিপ্রিয়র বেসরকারি হাসপাতালের দেওয়া ডায়েট চার্ট মেনে খাবার খেতে পারবেন কিনা এবং জেলে এই ব্যবস্থা রয়েছে কিনা তা নিয়ে একটি রির্পোট জমা পড়ে ব্যাঙ্কশাল আদালতে। গতকাল আদালত নির্দেশ দিয়েছিল, বেসরকারি হাসপাতালে দেওয়া ডায়েট চার্ট মেনে চলার মতো ফেসিলিটি আছে কিনা তার রিপোর্ট প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারকে জমা দিতে হবে। সেই অনুসারে রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়।
রিপোর্টে বলা হয়েছে, জেলে ডায়েট চার্ট মেনে খাবার খাওয়ার পরিকাঠামো আছে। সোমবার থেকেই জেলের খাবার খাবেন জ্যোতিপ্ৰিয় মল্লিক। সোমবার অভিযুক্তর আইনজীবী অনিন্দ্য রাউত জানান, “জেল কর্তৃপক্ষ আজ রিপোর্ট জমা দিয়েছে। সেখানে উল্লেখ আছে জেলের পরিকাঠামো আছে ডায়েট চার্ট মেনে খাবার দিতে পারবে। ফলে আজ থেকে জেলের খাবার জোত্যিপ্ৰিয় মল্লিক খাবেন। বাড়ির খাবারের প্রয়োজন নেই।রবিবার তাঁর ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজত হয়েছে।




