খবর লাইভ : ফৌজদারি মামলায় জড়িত থাকা রাজনৈতিক নেতাদের পুনরায় নির্বাচনে অংশগ্রহণ সংক্রান্ত মামলায় গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল সুপ্রিমকোর্ট। আজ প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, সাংসদ -বিধায়কদের ক্রিমিনাল কেসের দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য হাইকোর্টের নজরদারি প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে নিম্ন আদালত স্বতঃপ্রণোদিত মামলার রুজু করতে পারেন। তবে হাইকোর্টের জন্য এই সংক্রান্ত গাইডলাইন তৈরি করে দেওয়া সুপ্রিম কোর্টের পক্ষে সম্ভব নয়।
গুরুতর ‘অপরাধ’ করে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন যে রাজনীতিবিদরা, তাঁরা কি আজীবন নির্বাচনে লড়াই করার সুযোগ পাওয়ার যোগ্য? এই প্রশ্নের উত্তর জানতেই আজ শীর্ষ আদালতের দিকে তাকিয়েছিল গোটা দেশ। ফৌজদারি মামলায় দু বছর বা তার বেশি সময় জেল খেটেছেন যে সমস্ত নেতারা তাঁদের আজীবন ভোটে দাঁড়ানোর উপর নিষেধাজ্ঞা চাপানো হোক— এই আবেদন জানিয়ে আজ থেকে বছর সাতেক আগে শীর্ষ আদালতে মামলা করেন অশ্বিনীকুমার উপাধ্যায়। আজ সকাল সাড়ে ১০টায় সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, জেবি পারদিওয়ালা এবং মনোজ মিশ্রের বেঞ্চ এই মামলার শুনানিতে হাইকোর্টকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দেয়। সর্বোচ্চ আদালতে তরফে স্পষ্ট ভাবে বলে দেওয়া হয়েছে যে হাইকোর্টকে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এই সমস্ত মামলায় নজরদারি চালাতে হবে। যদিও যে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা অপরাধ করেছেন তাঁদের জন্য নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে না পারার ‘ছ’বছরের নিষেধাজ্ঞা যথেষ্ট কিনা তা নিয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।




