Special News Special Reports State

৬ হাজার পাতার নথি ইডি দফতরে জমা দিলেন, বেরিয়ে মহুয়ার সমর্থনে মুখ খুললেন অভিষেক

0
(0)

খবর লাইভ : জন্মদিনের দিন পেয়েছিলেন ইডি-র নোটিস। ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর ছিল বৃহস্পতিবার সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে যাবেন। সেই মতো বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা নাগাদ ইডি দফতরে পৌঁছেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়৷ অভিষেকের হাজিরা ঘিরে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছিল গোটা চত্বর৷

ইডি দফতরে প্রবেশের এক ঘণ্টার মধ্যেই বাইরে বেরিয়ে এলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ৫ মিনিটে সিজিওতে ঢুকেছিলেন তিনি। বেরিয়ে আসেন ঠিক দুপুর ১২টা ৬ মিনিটে। বেরিয়ে অভিষেক বলেন, ‘‘৬০০০ পাতার নথিপত্র জমা দিয়ে এসেছি। ওঁরা বলেছেন, এত নথি দেখতে সময় লাগবে। দরকার পড়লে আপনাকে আবার ডেকে পাঠাব।’’ এর পরেই অভিষেকের সংযোজন, ‘‘আমি চাইলে আদালতের নির্দেশ মোতাবেক নথি পাঠিয়ে দিয়ে দায় সারতে পারতাম। কিন্তু আমার লুকনোর কিছু নেই। যত বার ডাকবে তত বার আসব।’’
ইডি-সিবিআই মিলিয়ে গত ৫ মাসে ৬ বার তলব করা হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে৷ তারপরে ১৩ জুনও ইডির তলব৷ সেবার পঞ্চায়েতের প্রচার এবং রাজনৈতিক কর্মসূচি থাকায় হাজিরা দেননি অভিষেক। তারপরে ২০ মে সিবিআইয়ের সামনে হাজিরা৷ ১৩ সেপ্টেম্বর ইডির দফতরে হাজিরা৷ ৩ অক্টোবর ফের তলব করে ইডি৷ যদিও রাজনৈতিক কর্মসূচি থাকায় সেবার হাজিরা দেননি অভিষেক৷ এরপরে ফের গত ১০ অক্টোবর তাঁকে তলব করা হয়েছিল৷ তার পরে এই ৯ নভেম্বর হাজিরা৷
কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে গত ১০ অক্টোবর ইডির কাছে তাদের চাওয়া সমস্ত নথি জমা দিয়েছিলেন অভিষেক। সেখানে তাঁর স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির যাবতীয় হিসাব দিয়েছিলেন তিনি৷ দেওয়া হয়েছিল তাঁর বিদেশ সফর সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য।
হস্পতিবার দুপুর ১২টা নাগাদ সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরোন অভিষেক। সেখানে মহুয়া প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে বলেন, “নীতি কমিটিতে অনেক অভিযোগ পড়ে রয়েছে। দেড় মাস আগে নতুন সংসদভবনে যখন বিশেষ অধিবেশন বসল, বিজেপি সাংসদ রমেশ বিদুরি সংসদের গরিমায় আঘাত হানেন। বিজেপি-র এমন অনেক সাংসদ রয়েছে, যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পড়ে রয়েছে। আজ পর্যন্ত শুনানি হয়নি।”
সরকারের দিকে আঙুল তুলেছেন বলেই মহুয়াকে কোপে পড়তে হচ্ছে বলেও এ দিন মন্তব্য করেন অভিষেক। তিনি বলেন, “যদি কেউ সরকারের বিরুদ্ধে লড়তে চায়, সরকারকে প্রশ্ন করে, আদানিদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে সরব হয়, কী উপায়ে তাঁকে সাংসদ পদ থেকে হটানো যায়, সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যায়।”
নীতি কমিটির তকফে মহুয়ার সাংসদ পদ বাতিলের যে সুপারিশ করা হয়েছে, তারও তীব্র সমালোচনা করেন অভিষেক। বলেন, “নীতি কমিটির সুপারিশের যে খসড়া আমার হাতে এসেছে, তাতে দেখলাম, মহুয়ার বিরুদ্ধে কিছু রয়েছে কিনা খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। বলা হয়েছে, তদন্ত করে দেখতে হবে। যদি কিছু না-ই থাকে, তাহলে বহিষ্কারের সুপারিশ করলেন কী করে? মহুয়া নিজের লড়াই, নিজে লড়ার যোগ্য। আমাকেও চার বছর ধরে ডাকছে, জিজ্ঞাসাবাদ করছে। এক মামলায় কিছু না পেলে, অন্য মামলায় নাম টানছে। এরা এটাই করে। এটা প্রতিহিংসা ছাড়া কিছু নয়। সাধারণ মানুষ সব বুঝতে পারছেন।”

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Tagged

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *