খবর লাইভ : সামনে লোকসভা নির্বাচন । তার আগে জাতীয় স্তরে বিজেপি-র সাংগঠনিক নেতৃ্ত্বে রদবদল। বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা নয়া জাতীয় কর্মসমিতি গড়েছেন। কিন্তু সেই তালিকায় নাম নেই দলের সর্বভারতীয় দিলীপ ঘোষের । এতদিন দলের সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি ছিলেন দিলীপ। এবার সেই পদ খোয়ালেন দিলীপ। তালিকায় বাংলা থেকে একমাত্র নাম অনুপম হাজরার। দলের সচিব হিসেবে নাম রয়েছে অনুপমের।
এই নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে, দিলীপ বলেন, “আগামী বছর লোকসভা নির্বাচনে লড়বেন যাঁরা, তাঁদের নাম রাখা হয়নি তালিকায়, যাতে নিজের নির্বাচনী কেন্দ্রে মনোনিবেশ করতে পারেন তাঁরা।” উল্লেখ্য অতি সম্প্রতিই বাংলা থেকে দিল্লিতে তলব করা হয় রাজ্য বিজেপি-র সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে। তাঁদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে, বাংলায় বিজেপি-র রোডম্যাপ তৈরির জন্য পর পর দু’দিন বৈঠক হয়।তার পরই বিজেপি-র তরফে জাতীয় স্তরে সাংগঠনিক ররবদল ঘটানো হয়। প্রকাশ করা হয় নামের তালিকায়। সেই তালিকায় নাম দেখা যায়নি দিলীপের। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি-র সংগঠনে রদবদল ঘটানো হয়েছে। কেন্দ্রের মন্ত্রিসভাতেও রদবদল হতে চলেছে বলে খবর। তাই দিলীপকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় আনা হতে পারে বলেও জল্পনা শুরু হয়েছে বিজেপি-র একটি অংশ। অন্য একটি অংশ আবার আশা করছেন যে, রাজ্যের সংগঠনে ফের ফিরিয়ে আনা হতে পারে দিলীপকে।
দিলীপ যদিও নির্বাচনকে সামনে রেখে এমন সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন, তাঁর নাম বাদ যাওয়া নিয়ে জোর জল্পনা রাজ্য রাজনীতিতে। কারণ রাজ্য সভাপতি থেকে প্রথম ‘নামসর্বস্ব’ সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি করা হয় তাঁকে। এবার নামই বাদ গেল। তাই রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বঙ্গ রাজনীতিতে বিজেপি-কে তুলে আনার নেপথ্যে ছিলেন দিলীপই।
কিন্তু ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলে ভিড় যত বেড়েছে, ততই কোণঠাসা হতে দেখা গিয়েছে দিলীপকে। জাতীয় স্তরে সংগঠন থেকে নাম বাদ যাওয়ার পিছনেও, সেই তত্ত্বই তুলে ধরছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।




