National Special News Special Reports

রায়গড়ে পাহাড়ের ধসে ভ্যানিশ গ্রাম, ব্যাহত উদ্ধারকাজ: ১৪৪ ধারা জারি করতে বাধ্য হল প্রশাসন

0
(0)

খবর লাইভ : রায়গড় জেলার ইরশালওয়াড়ি গ্রামে বুধবার ভোরে পাহাড়ের একাংশ ধসে পড়ে। কাদামাটিতে বসে যায় গ্রামের একাধিক বাড়ি। পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন একটি গোটা গ্রাম।

এখনও ধ্বংসস্তূপ থেকে লাশের দুর্গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।তারই মাঝে চলছে উদ্ধারকাজ।এই কাজ দ্রুত করতে মহারাষ্ট্রের রায়গড়ে ১৪৪ ধারা জারি করতে বাধ্য হল প্রশাসন।রায়গড়ের ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে এখনও পর্যন্ত ২৭। এখনও ৮১ জনের খোঁজ মিলছে না। ধ্বংসস্তূপে আরও দেহ আটকে আছে বলে মনে করা হচ্ছে।মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদের মধ্যে ১২ জন মহিলা, ১০ জন পুরুষ ও চার শিশু রয়েছে। সবচেয়ে মর্মান্তিক যে এক পরিবারের ন’জন সদস্যই প্রাণ হারিয়েছেন এই দুর্ঘটনায়। গ্রামটির জনসংখ্যা ২২৯, তাঁদের মধ্যে নিরাপদে রয়েছেন মাত্র ১১১ জন।

ঘটনার সূত্রপাত, রায়গড় জেলার ইরশালবাদী বুধবার ভোরে। পাহাড় ধসে গ্রামের একটা বড় অংশ নিমেষে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। ৪৮টি বাড়ির মধ্যে ১৭টি বাড়ি ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে গিয়েছে।যখন ধস নামে সেই সময় অধিকাংশই ঘুমোচ্ছিলেন।অনেকগুলি বাড়ি কাদামাটিতে বসেও গিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ মণিপুর নিয়ে সংসদে মোদির বিবৃতিতে সরব বিরোধীরা
বৃষ্টি থামতেই চাইছে না। ফলে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী উদ্ধারকাজ চালাতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে।উদ্ধারকাজ বার বার ব্যাহত হয়েছে।যে গ্রামটি ধসের কবলে পড়েছে সেটি পাহাড়ের মাঝে, সমতল থেকে বেশ খানিকটা উঁচুতে।সহজে সেখানে পৌঁছনোর তেমন কোনও রাস্তা নেই।
আহতদের চিকিৎসাও হচ্ছে সরকারি খরচে।রায়গড়ে নিহতদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা আগেই ঘোষণা করেছে মহারাষ্ট্র সরকার। এ ছাড়া, মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে একটি বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ভূমিধসে ২ থেকে ১৪ বছরের যে সব অপ্রাপ্তবয়স্ককে পরিবার হারিয়েছে, তাদের লেখাপড়া-সহ সামগ্রিক দায়িত্ব নেবে তাঁর শ্রীকান্ত শিন্ডে ফাউন্ডেশন। রায়গড়ের এই দুর্ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে মহারাষ্ট্র সরকার রাজ্যের এই সমস্ত দুর্গম এবং ধসপ্রবণ এলাকাগুলি থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *