খবর লাইভ : মনোনয়নের শেষ দিনে কয়েকটি জায়গায় লাগামহীন হিংসার সাক্ষী থেকেছে বাংলা। দুষ্কৃতীদের মুক্তাঞ্চলে পরিণত হতে দেখা গিয়েছে কলকাতা লাগোয়া দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়-২ ব্লককে। পুলিশের সামনেই অবাধে চলেছে যাবতীয় সন্ত্রাস। মুড়িমুড়কির মতো বোমা পড়েছে। গুলি চলেছে। রক্ত ঝরেছে। জ্বলেছে দোকানপাট! চোপড়াতেও রক্তপাত ঘটেছে। এই সব ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তার প্রেক্ষিতে শুক্রবার রাজ্যের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে হাই কোর্ট। মঙ্গলবারের মধ্যে সেই রিপোর্ট জমা দিতেও বলা হয়েছে। শুধু তা-ই নয়, স্পর্শকাতর এলাকা সংক্রান্ত মামলার রায়ের কিছু অংশ পুনর্বিবেচনার যে আর্জি রাজ্য সরকার হাই কোর্টে জানিয়েছিল, শুক্রবার তা-ও প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম সেই আর্জি মঞ্জুর করেছেন।
আরও পড়ুনঃ ক্ষমতার হাতবদল, কর্ণাটকে পাঠ্যসূচি থেকে বাদ সাভারকর, হেডগেওয়ার !
উচ্চ আদালত রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছে, এ বার কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়েই পঞ্চায়েত ভোটের ব্যবস্থা করতে হবে। হাই কোর্ট সেখানেই থেমে থাকেনি। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়, উত্তর দিনাজপুরের চোপ়ড়ার হিংসা এবং উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটে বিরোধী প্রার্থীদের বৃহস্পতিবার মনোনয়ন জমা দিতে না দেওয়ার যে অভিযোগ উঠেছে, তার প্রেক্ষিতে ‘চাপ বাড়িয়ে’ রাজ্যের কাছে ‘ব্যাখ্যা’ও চাইল আদালত।




