Special News Special Reports State

কুন্তল চিঠি-মামলায় সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ! সুপ্রিম কোর্টে যাবেন অভিষেক

0
(0)

খবর লাইভ : আদালতের রায় শিরোধার্য। কিন্তু দেশের নাগরিক হিসেবে তাঁর অধিকার আছে সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে উচ্চ আদালতে যাওয়ার। কুন্তল ঘোষের চিঠি মামলায় কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার রায়ের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার দুর্গাপুরে একথা জানালেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, “আমাকে কোনও মামলায় যদি কোনও তদন্তকারী সংস্থা ডাকে, তাহলে আমি যাব। প্রয়োজনে জনসংযোগ যাত্রা থামিয়েও যাব। তবে, দেশের নাগরিক হিসেবে আমার অধিকার আছে সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চ বা সুপ্রিম কোর্ট যাওয়ার।” অভিষেক জানান, বিচার ব্যবস্থার উপর তাঁর পূর্ণ আস্থা আছে।

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক জানান, এর আগেও ইডি তাঁকে দিল্লিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকেছিল। তিনি গিয়েছিলেন। তারপরে সেই জিজ্ঞাসাবাদ কলকাতায় করার জন্য তিনি সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন। তাঁকে সেই অনুমতি দেয় শীর্ষ আদালত। এখনও কলকাতা হাই কোর্টের রায়ের কপি হাতে পাননি তিনি। পাওয়ার পরে আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।
২৯ মার্চ শহিদ মিনারের মঞ্চে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, মদন মিত্রকে চাপ দেওয়া হয়েছে তাঁর নাম বলার জন্য। সেই বিষয় নিয়েই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করার কথা বলা হয়েছে। অমিত শাহের বিরুদ্ধে তোপ দেগে অভিষেক বলেন, যেদিন তিনি এই কথা বলেছিলেন, সেই দিনই একটি সর্বভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেলের অনুষ্ঠান দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তাঁকেও নরেন্দ্র মোদির নাম বলতে চাপ দিয়েছিল সিবিআই।
এরপরেই শুভেন্দু অধিকারীর নাম না করে তোপ দাগেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। বলেন, টিভি-র পর্দায় যাঁকে টাকা নিতে দেখা গিয়েছে, ইডি-সিবিআইয়ের এফআইআর নেমড, তাঁকে ডাকা হয় না। যাঁর কনভয়ে চাপা পড়ে মানুষের মৃত্যু হয়, তিনি আদালত থেকে রক্ষাকবচ পান। তৃণমূলে নবজোয়ার কর্মসূচিতে এই মুহূর্তে পশ্চিম বর্ধমানে আছেন অভিষেক। টানা ৬০দিন রাস্তায় থাকছেন। ঝড়-বৃষ্টি-দুর্যোগ উপেক্ষা করেই জনসংযোগ যাত্রা, রোড শো, সমাবেশ, অধিবেশন চালিয়ে যাচ্ছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।
এদিন, কুন্তল ঘোষের চিঠি মামলায় আগের রায় বহাল রাখে কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চ। আদালত জানায়, প্রয়োজনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেরা করতে পারবে CBI-ED। পাশাপাশি, কুন্তল ও অভিষেককে ২৫ লক্ষ টাকা করে জরিমানা করেছে আদালত। ৯ জুনের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে হবে তদন্তকারী সংস্থাকে। জরিমানার প্রসঙ্গে অভিষেক জানান, রায়ে বলা হয়েছে, তিনি আদালতের সময় নষ্ট করেছেন! অথচ দিনের পর দিন যে কোনও ইস্যু নিয়ে জনস্বার্থ মামলা হচ্ছে। তাতে আদালতের সময় নষ্ট হচ্ছে না! প্রশ্ন তোলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তবে, আদালতের রায়ে মাথা পেতে নিয়েই তিনি পরবর্তী পদক্ষেপ করবেন বলে জানান অভিষেক।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *