Special News Special Reports State

আপনি কি টেট পরীক্ষার্থী? তাহলে জেনে নিন রবিবার কী করতে হবে!

0
(0)

খবর লাইভ : ২০১৭-এর পর ২০২২। রাজ্যে ৫ বছর পর ফের হতে চলেছে টেট। প্রাথমিকে নিয়োগ পরীক্ষায় এবার রেকর্ডসংখ্যক পরীক্ষার্থী। আবেদনকারীর সংখ্যা ৭ লক্ষের কাছাকাছি। আগেরবারের তুলনায় তিনগুণ!

রাত পোহালেই প্রাইমারি টেট লিখিত পরীক্ষা। শুধু শিক্ষা দফতর নয়, এবার টেট পরীক্ষা নিয়ে সতর্ক রাজ্য প্রশাসনিক মহল। ররিবার প্রাথমিকে টেট নিয়ে রাজ্যের প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে থাকছে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা। স্রেফ পরীক্ষার্থীরাই নন, পরীক্ষাকেন্দ্রে মোবাইল জমা রাখতে হবে শিক্ষকদেরও। কন্ট্রোলরুম থেকে চলবে কড়া নজরদারি। পরীক্ষার দিন চলবে বাড়তি মেট্রো ও ট্রেনও।

২০১৭-এর পর ২০২২। রাজ্যে ৫ বছর পর ফের হতে চলেছে টেট। প্রাথমিকে নিয়োগ পরীক্ষায় এবার রেকর্ডসংখ্যক পরীক্ষার্থী। আবেদনকারীর সংখ্যা ৭ লক্ষের কাছাকাছি। আগেরবারের তুলনায় তিনগুণ!

টেটে নিয়ে কড়া নিরাপত্তা/নির্দেশিকা:

সংশ্লিষ্ট থানা থেকে প্রশ্নপত্র পাঠানো হবে প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে।

*পরীক্ষাকেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে ঢুকতে পারবেন না পরীক্ষার্থীরা।

প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে থাকবেন একজন সরকারি আধিকারিক।

সেই সরকারি আধিকারিকের কাছে মোবাইল জমা রাখতে হবে শিক্ষককে।

বিশেষ প্রয়োজনে লগবুকে সই করে মোবাইল ব্যবহার করা যাবে।

সরকারি আধিকারিকের সামনেই কথা বলার পর ফের জমা দিতে হবে মোবাইল

অন্যদিকে, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সাদা OMR শিটেও পরীক্ষার্থীদের পাস করিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠেছে। তাই এবার রেজাল্টের সঙ্গে OMR শিটও হাতে পাবেন পরীক্ষার্থীরা। কোন প্রশ্নে কত নম্বর পেয়েছেন, উল্লেখ থাকবে OMR শিটে।

এদিকে, রাজ্যে প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে বসানো হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা। লালবাজারে মতোই টেটের জন্য কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে পর্ষদের অফিসে। কন্ট্রোলরুমে বসেই সিসিটিভির মাধ্যমে নজরদারি চলবে। রবিবার ছুটির দিনে টেট পরীক্ষার্থীদের জন্য চলবে অতিরিক্ত মেট্রো। সঙ্গে শিয়ালদহ ও হাওড়া থেকে ট্রেনও। বর্তমানে প্রায় ২০০০ এর ওপরে সরকারি বাস চলাচল করে। রবিবার সমস্ত বাস চলবে। সারা বাংলা মিলিয়ে প্রায় ৩৬ হাজারের কাছাকাছি বেসরকারি বাস রয়েছে। ওই দিন সেগুলিকেও চালাতে বলার অনুরোধ করা হয়েছে। পরীক্ষার দিন যাতে কোনরকম সমস্যায় পড়তে না হয় পরীক্ষার্থীদের তাই বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নাম্বারও যোগাযোগের নম্বরও দিয়ে দেওয়া হয়েছে।

১২টা থেকে দুপুর ২টো ৩০ পর্যন্ত পরীক্ষা চলবে। পরীক্ষা শুরু হয়ে যাওয়ার পর কোনও প্রার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছলে তাঁকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হবে না। প্রার্থীদের পরীক্ষার কমপক্ষে ২ ঘণ্টা আগে রিপোর্ট করতে হবে।

অবশ্যই নিজের কোনও একটি ফটো আইডেন্টিটি কার্ড যেমন আধার কার্ড বা ভোটার কার্ড বা প্যান কার্ড বা ড্রাইভিং লাইসেন্স যা সঙ্গে আছে তা নিতে ভুলবেন না। ব্ল্যাক বলপয়েন্ট পেন একটি বা দুটি রাখা বাঞ্ছনীয়। ঘড়ি, গয়না পরে পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢোকা যাবে না। কোনও স্টেশনারি বস্তু, লিখিত বা ছাপানো অবস্থায় পরীক্ষাকেন্দ্রের ভিতরে নিয়ে যাওয়া যাবে না। ইনভিজিলেটরের অনুমতি ছাড়া কোনও পরীক্ষার্থী পরীক্ষার সময় শেষ না হওয়া পর্যন্ত আসন বা সেন্টার ছাড়তে পারবেন না।

পরীক্ষার হল/রুমে ঢোকার জন্য প্রার্থীকে ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করা অ্যাডমিট কার্ড প্রিন্ট করে নিয়ে যেতে হবে। নইলে পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢোকার অনুমতি মিলবে না। প্রতিটি প্রার্থীকে রোল নম্বর অনুযায়ীই বসতে হবে। সেই সঙ্গে কাগজের টুকরো, পেন্সিল বাক্স, প্লাস্টিকের পাউচ, ক্যালকুলেটর, স্কেল, লেখার প্যাড কিচ্ছু নিয়ে বসা যাবে না। ইনভিজিলেটরের অনুমতি ছাড়া কোনও পরীক্ষার্থী পরীক্ষার সময় শেষ না হওয়া পর্যন্ত আসন বা সেন্টার ছাড়তে পারবেন না।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *