Special News Special Reports State

ট্রমাকেয়ার সেন্টারে দীর্ঘসূত্রিতা ও ‘রেফার-রোগ’ নিয়ে ফের ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী

0
(0)

খবর লাইভ : ট্রমা সেন্টার তৈরিই করা হয়েছে যাতে দ্রুত রোগী পরিষেবা পায়। কিন্তু সেখানে গিয়ে যদি তাঁদের দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়, চিকিৎসা শুরু না করা হয়, সেটা মোটেই কাম্য নয়। এসএসকেএম হাসপাতালে প্রকল্পের উদ্বোধনে গিয়ে এমনই কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার,এসএসকেএম-এ গিয়ে এই প্রথমে তিনি দেখা করেন চিংড়িঘাটায় দুর্ঘটনায় আহতদের সঙ্গে। বলেন, চিংড়িঘাটার দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসা ঠিক মতো হলেও, ট্রমাকেয়ার সেন্টারে যাঁরা ভর্তি আছেন, তাঁদের অনেকেরই ভর্তির পদ্ধতিগত জটিলতার কারণে সঠিক চিকিৎসা শুরু হয়নি।

একই সঙ্গে ফের হাসপাতালের রেফার রোগ নিয়েও উষ্মা প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, অন্তঃসত্ত্বাকে হাসপাতাল থেকে রেফার করে দেওয়া হচ্ছে। এসএসকেএম-এ আসেত আসতেই তো ৬ ঘণ্টা পেরিয়ে যাচ্ছে। এরকম পরিস্থিতিতে প্রসূতিদের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
এর আগেও একাধিকবার বলেছেন, কথায় কথায় রোগীদের রেফার করা যাবে না। শুধু তাই নয়, গর্ভবতী মহিলাদের প্রসবের সময় রেফার করলে তাঁদের প্রাণহানির আশঙ্কা দেখা যায় বলেও জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তারপরেও দু-একটি অভিযোগ উঠছে। আর সেই প্রসঙ্গেই এ দিন ফের কড় বার্তা দিলেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান।
সরকারি হাসপাতালে সিনিয়র ডাক্তাররা ভালো কাজ করেন। আর জুনিয়ার ডাক্তার সর্বক্ষণ হাসপাতালে পরিষেবা দেন। সিস্টাররাও সব কাজ করেন। ইঞ্জেকশন দেওয়া থেকে শুরু করে রক্ত পরীক্ষা- সব কাজই করেন তাঁরা। তাঁদের স্পেশাল ট্রেনিং দিয়ে পদমর্যাদা বৃদ্ধি করা হবে। বৃহস্পতিবার এসএসকেএম জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ থেকে পাশ করা ডাক্তারদের অতিরিক্ত প্রশিক্ষণ দেওয়ার চিন্তাভাবনাও রয়েছে বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে যাঁরা লেখাপড়া করেন, তাঁদের না হয় থিওরি না হয় প্র্যাকটিক্যাল- অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর। সে কারণে বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ থেকে পাশ করে বেরনোর পরে পড়ুয়াদের একটি অতিরিক্ত ট্রেনিং প্রস্তাব দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন ফের সরকারি হাসপাতালে রাতে সিনিয়র ডাক্তারদের থাকার কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *