খবর লাইভ :‘গণতন্ত্রে কী করতে হবে, তা ভারতকে বলে দেওয়ার প্রয়োজন নেই’, রাষ্ট্রসঙ্ঘের মঞ্চে এমনই কঠোর বার্তা দিলেন ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি রুচিরা কম্বোজ। বৃহস্পতিবার ১৫ সদস্যের রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা কাউন্সিলের সভায় সন্ত্রাসবাদ দমন ও বহুপাক্ষিকতা নিয়ে আলোচনাতেই ভারতের গণতন্ত্র ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রসঙ্গে এই মন্তব্য করেন রাষ্ট্রসঙ্ঘের ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি। চলতি ডিসেম্বর মাসের জন্য রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা কাউন্সিলের সভাপতিত্বের দায়িত্ব পেয়েছে ভারত।
তিনি বলেন, “আপনারা সকলেই জানেন, ভারত হয়তো বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন সভ্যতা। ভারতে গণতন্ত্রের শিকড় ২৫০০ বছরের পুরনো। আমাদের সবসময় গণতন্ত্র রয়েছে। সাম্প্রতিককালের উদাহরণেও বলতে পারি, গণতন্ত্রের চারটি স্তম্ভ- আইনসভা, বিচার ব্যবস্থা, কার্যনির্বাহী বিভাগ ও সংবাদমাধ্যম। আমাদের সমাজ মাধ্য়মও অত্য়ন্ত রঙীন ও উজ্জ্বল। সেই কারণেই আমাদের দেশের গণতন্ত্র বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র।”
চলতি বছরের রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে নয়াদিল্লির ‘ভারসাম্যের কূটনীতি’ আন্তর্জাতিক মঞ্চে আলোচনায় এসেছে। যুদ্ধ বন্ধের পক্ষে জোরালো সওয়াল করলেও মস্কোর বিরুদ্ধে আমেরিকা-সহ পশ্চিমি দেশগুলির আনা প্রস্তাবের সহযোগী হয়নি ভারত।
কূটনৈতিক মহলের একাংশের মত, ডিসেম্বরে নিরাপত্তা পরিষদের সভা পরিচালনার ভার নেওয়ার পরে রাশিয়ার বিরুদ্ধে প্রস্তাব আনার ক্ষেত্রে ভারত বাধা হতে পারে। সে কারণেই রুচিরা ‘গণতান্ত্রিক পদ্ধতি’ মেনে চলার কথা বলেছেন।




