খবর লাইভ : গরু পাচার মামলা নিয়ে রাজ্যে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। রাজ্যের শাসকদলের ওপরও চলছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নজরদারি। এমনকি পশ্চিমবঙ্গের একাধিক পুলিশও রয়েছেন ইডির নজরে। ইতিমধ্যেই অনুব্রত মণ্ডল সহ তাঁর ঘনিষ্ঠদের একে একে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এবার কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে, প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীর সহ বীরভূমের ডিআইজি পদমর্যাদার দুই আধিকারিককে দিল্লির ইডি দফতরে তলব করা হতে পারে। সূত্রের খবর অনুসারে, ৩ থেকে ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে তাঁদের হাজিরা দিতে হতে পারে।অন্যদিকে অনুব্রত মণ্ডলকে নিয়ে ইডির তদন্ত জারি রয়েছে। এর মধ্যেই অনুব্রত ঘনিষ্ঠ সঞ্জীব মজুমদারকে তলব করেছে ইডি। বীরভূমের বেতাজ বাদশাহর ঘনিষ্ঠদের জেরা করা হচ্ছে। এর মধ্যেই জানা যায়, সঞ্জীব মজুমদার অনুব্রতর অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করেছিলেন। এবার সেই টাকা কেন পাঠানো হয়েছিল এবং কত টাকা পাঠানো হয়েছিল তা নিয়েই তদন্তে নেমেছে ইডি।
প্রসঙ্গত, গরু পাচার মামলায় বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল, তাঁর দেহরক্ষী সায়গল হোসেন সিবিআইয়ের পর ইডির হাতে গ্রেফতার হয়। এছাড়া প্রাক্তন বিএসএফ কমান্ডার সতীশ কুমার, ব্যবসায়ী এনামুল হকের মতো হেভিওয়েটদের জালে এনেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ফলে এই চক্রের সঙ্গে কোনওভাবে পুলিশ প্রশাসনের যোগ রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে চায় ইডি।
রাজ্যের আইপিএস-দের ইডির তলব নিয়ে তৃণমূলের মুখপাত্র বলেন, ”গরু আসছে কোথা থেকে? পশ্চিমের রাজ্য থেকে। কেন্দ্রের পুলিশ। গরু কি উড়ে আসে? হেঁটে আসলে তাদের পুলিশ কিছু করতে পারছে না? অমিত শাহের পুলিশ আছে। আসছে অন্য রাজ্য থেকে, অমিত শাহের বিএসএফ পাহারায়। তাহলে এই প্রশ্ন কোথা থেকে? বিজেপির নির্দেশে কেন্দ্রীয় এজেন্সি ডাকাডাকি করছে। বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষার জন্য এজেন্সি অন্য কথা বলুক।”



