Special News Special Reports State

ডায়মন্ড সিটিতে বেনামে পার্থর চারটি ফ্ল্যাট ও বিলাসী ‘পেন্ট হাউস’ ! অবাক ইডির তদন্তকারীরা

0
(0)

খবর লাইভ : টালিগঞ্জের ডায়মন্ড সিটি সাউথ আবাসনে অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের একটি ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয়েছে কোটি কোটি টাকা। কিন্তু ওই আবাসনেই অর্পিতার নামে থাকা একটি ফ্ল্যাটে বন্দি হয়ে রয়েছে অন্তত ন’টি উন্নত প্রজাতির সারমেয়। যাদের মোট দাম চার লাখ টাকারও বেশি।

আরও পড়ুনঃ ২০১৬ তালিকাভুক্ত সকলের চাকরির আশ্বাস অভিষেকের

অর্পিতার তত্ত্বাবধানে থাকলেও ওই সারমেয়গুলি রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বলেই জানেন ওই আবাসনের বাসিন্দারা। উন্নত প্রজাতির ওই গৃহপালিত কুকুরগুলি কী ভাবে রয়েছে, কী খাচ্ছে, তা নিয়ে চিন্তা করার মতো অবস্থায় নেই ইডির হেফাজতে-থাকা প্রাক্তন মন্ত্রী বা তাঁর ‘ঘনিষ্ঠ’ অর্পিতা।
প্রতিবেশীদের বক্তব্য, ওই সারমেয়গুলির মধ্যে একটি রটওয়েলার, একটি ইংলিশ বুলডগ, একটি ফ্রেঞ্চ বুলডগ। তা ছাড়াও রয়েছে একটি করে পাগ এবং বিগ্‌ল প্রজাতির কুকুর। রয়েছে দু’টি করে ল্যাব্রাডর এবং গোল্ডেন রিট্রিভার।
ওই ডায়মন্ড সিটি আবাসনে প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাট। সেই ফ্ল্যাট থেকেই গত শুক্রবার নগদ ২১ কোটি ৯০ লাখ টাকা উদ্ধার হয়েছে। কিন্তু সেই আবাসনেই আরও তিনটি ফ্ল্যাট ‘বেনামে’ কিনেছিলেন পার্থ। এমন তথ্য হাতে পেয়েছে ইডি। আবাসনের বাসিন্দারাও একই কথা বলছেন।
এর মধ্যে একটিতে বিলাস-ব্যসনের জন্য তৈরি করা হয় ‘পেন্ট হাউস’।
আবাসন সূত্রের খবর, ১৯ এবং ২০তলায় ওই তিনটি ফ্ল্যাটের ভিতর দিয়ে যাতায়াতের ব্যবস্থাও রয়েছে।
সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হল, আবাসনের বিশেষ অ্যাপ-এ ওই চারটি ফ্ল্যাটের উল্লেখই নেই! তার ফলে ফ্ল্যাটে কে, কারা, কখন আসতেন-যেতেন তার তথ্য জানতে পারত না কেউই। আবাসন পরিচালন কমিটির কর্তারা বলছেন, তাঁরা কিছুই জানেন না।
পরিচালক কমিটির এক সদস্য শুক্রবার বলেন, ‘‘এখানে চারটি ফ্ল্যাট কিনেছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এর মধ্যে একটিতে অর্পিতা মুখোপাধ্যায় থাকতেন। সেই ফ্ল্যাটটি টাওয়ার ২-এর ১-এ। সেখান থেকেই টাকার পাহাড় উদ্ধার হয়। কিন্তু ওই টাওয়ারেরই ১৯তলায় রয়েছে দু’টি ফ্ল্যাট। ১৮-ডি এবং ১৮-ই ফ্ল্যাট দু’টিকে এক করে এখন সেখানে রাখা রয়েছে পার্থর শখের সারমেয়দের। ওই ফ্ল্যাট থেকেই আবার উপরের তলায় ১৯-আই ফ্ল্যাটে যাওয়া যায়। সেটি বিলাসবহুল পেন্ট হাউস।’’
ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, যে সংস্থা বা ব্যক্তির নামে ফ্ল্যাটগুলি কেনা হয়েছে, তার সঙ্গে পার্থের ‘যোগাযোগ’ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অন্য দিকে, প্রশ্ন উঠেছে, আবাসনের অ্যাপ-এ এই চারটি ফ্ল্যাটের উল্লেখ কেন নেই।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *