খবর লাইভ : ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত আল আসাদ বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকজন সেনা আহত হয়েছেন।এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড থেকে বলা হয়, ইরান সমর্থিত মিলিশিয়ারা শনিবার সন্ধ্যায় আল আসাদ বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং রকেট ছুড়েছে। ওই বিমানঘাঁটিতে আমেরিকার সেনারা ছিলেন।
“এ ঘটনায় অনির্দিষ্ট সংখ্যায় মার্কিন সেনাকে ‘ট্রমাটিক ব্রেইন ইনজুরির’ চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।” হামলায় অন্তত একজন ইরাকি সেনাও আহত হয়েছেন।ইসলামিক রেজিসটেন্স ইন ইরাক নামে একটি সশস্ত্র সংগঠন এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। গত বছরের শেষ দিকে এই দলটির উত্থান হয় এবং তারা ইরাকে থাকা ইরান সমির্থত অন্যান্য সশস্ত্র জঙ্গি দলগুলোর মতই বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ওয়াশিংটন ইন্সটিটিউট ফর নেয়ার ইস্ট পলিসি।
আরও পড়ুনঃ মোদির হাত ধরেই প্রাণ প্রতিষ্ঠা হল রামলালার, ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী গোটা দেশ
যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়, শনিবার আল আসাদ বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র এবং রকেটের বেশিরভাগই আকাশেই ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। তবে কয়েকটি আকাশ সুরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে ঘাঁটিতে আঘাত হানে।সর্বশেষ আঘাতে ঘাঁটির কতটা ক্ষতি হয়েছে তা মূল্যায়ন করে দেখা হচ্ছে। শনিবার গভীর রাতে সিরিয়ার রাজধানী দামাস্কাসের অদূরে ইজ়রায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইরানের কয়েক জন সেনা কমান্ডার নিহত হয়েছিলেন। তারই ‘জবাবে’ এই হামলা বলে মনে করা হচ্ছে। ঘটনাচক্রে, রবিবার রাতেই দামাস্কাসের প্রতিশোধ নেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিল তেহরান।
গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধ চলছে। সে দেশের প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের বাহিনীর পক্ষে গৃহযুদ্ধে অংশ নিয়েছে ইরান ফৌজ। অন্য দিকে, আমেরিকা এবং ইজ়রায়েল মদত দিচ্ছে আসাদ বিরোধী বিদ্রোহীদের।সোমবার বিকেল পর্যন্ত কোনও রাষ্ট্র বা সশস্ত্র গোষ্ঠী আল-আসাদ বিমানঘাঁটিতে হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে, এর নেপথ্যে ইরান ফৌজ এবং তাদের মদতপুষ্ট গোষ্ঠীগুলির ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।




