খবর লাইভ : একাধিকবার বিভিন্ন প্রশাসনিক বৈঠক এবং সভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়েছেন ও অভিযোগ করেছেন, কেন্দ্র রাজ্যের বরাদ্দ টাকা দিচ্ছে না। এ প্রসঙ্গে তিনি বাংলা আবাস যোজনা সহ একশ দিনের প্রকল্পের টাকার কথা উল্লেখ করেন। যেভাবে একের পর এক নিয়ম-কানুন বদলাচ্ছে কেন্দ্র, তাতে রীতিমতো উদ্বিগ্ন রাজ্য সরকার। তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ হাতছাড়া করা যাবে না। এবং সেই কারণেই নবান্নের সিদ্ধান্ত, এই বিষয়ে তালিম দেওয়া হবে আধিকারিকদের যা গোটা দেশের রাজ্যের মধ্যে বেনজির।
আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ডকে দুরমুশ করে ১৮৮ বল বাকি থাকতে জয় পেয়েছে ভারত
এক অর্থকর্তা বলেন, “কেন্দ্রীয় বরাদ্দ পেতে প্রক্রিয়াগত খুঁটিনাটি বিষয় নজরে রাখা জরুরি। ভুলভ্রান্তি মোটেই চলবে না। তাই ১৬ জুলাই প্রায় দিনভর প্রশিক্ষণ-বৈঠকের ব্যবস্থা করা হয়েছে।”
প্রশাসনিক সূত্রের খবর, কোনও প্রকল্পে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ পেতে গেলে এখন কেন্দ্রের পাবলিক ফিনান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (পিএফএমএস) মানতেই হচ্ছে। পিএফএমএসে যুক্ত হতে বলা হয়েছে সব দফতরকেই। পিএফএমএসের সঙ্গে নিজেদের যুক্ত করছে অর্থ দফতরও। প্রকল্প-ভিত্তিক বরাদ্দ পেতে ‘স্টেট নোডাল এজেন্সি’র ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলা-সহ একাধিক ‘মডিউল’ নতুন করে গড়তে হচ্ছে রাজ্য সরকারকে। এই সামগ্রিক ব্যবস্থাপনাই বোঝানো হবে আর্থিক উপদেষ্টাদের।
জানা গিয়েছে, একাধিকবার বিভিন্ন প্রশাসনিক বৈঠক এবং সভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়েছেন ও অভিযোগ করেছেন, কেন্দ্র রাজ্যের বরাদ্দ টাকা দিচ্ছে না। এ প্রসঙ্গে তিনি বাংলা আবাস যোজনা সহ একশ দিনের প্রকল্পের টাকার কথা উল্লেখ করেন। যেভাবে একের পর এক নিয়ম-কানুন বদলাচ্ছে কেন্দ্র, তাতে রীতিমতো উদ্বিগ্ন রাজ্য সরকার। তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ হাতছাড়া করা যাবে না। এবং সেই কারণেই নবান্নের সিদ্ধান্ত, এই বিষয়ে তালিম দেওয়া হবে আধিকারিকদের যা গোটা দেশের রাজ্যের মধ্যে বেনজির।
এক অর্থকর্তা বলেন, “কেন্দ্রীয় বরাদ্দ পেতে প্রক্রিয়াগত খুঁটিনাটি বিষয় নজরে রাখা জরুরি। ভুলভ্রান্তি মোটেই চলবে না। তাই ১৬ জুলাই প্রায় দিনভর প্রশিক্ষণ-বৈঠকের ব্যবস্থা করা হয়েছে।”
প্রশাসনিক সূত্রের খবর, কোনও প্রকল্পে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ পেতে গেলে এখন কেন্দ্রের পাবলিক ফিনান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (পিএফএমএস) মানতেই হচ্ছে। পিএফএমএসে যুক্ত হতে বলা হয়েছে সব দফতরকেই। পিএফএমএসের সঙ্গে নিজেদের যুক্ত করছে অর্থ দফতরও। প্রকল্প-ভিত্তিক বরাদ্দ পেতে ‘স্টেট নোডাল এজেন্সি’র ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলা-সহ একাধিক ‘মডিউল’ নতুন করে গড়তে হচ্ছে রাজ্য সরকারকে। এই সামগ্রিক ব্যবস্থাপনাই বোঝানো হবে আর্থিক উপদেষ্টাদের।




