খবর লাইভ : তাঁরা শিক্ষক। তাঁরা চিকিৎসকও। নিয়মনিষ্ঠ হয়ে চিকিৎসাবিদ্যা শিক্ষা দেওয়া যাঁদের ব্রত, তাঁদেরই একাংশ নিয়মানুবর্তিতা জলাঞ্জলি দিয়ে নিয়ম করে ফাঁকি দিয়ে চলেছেন বলে অভিযোগ উঠছে। অভিযোগ, কখনও একক ভাবে ফাঁকি দেওয়া হচ্ছে তো কখনও রীতিমতো যোগসাজশ করে। তাঁরা জেলার মেডিক্যাল কলেজে সব মিলিয়ে সপ্তাহে দু’-তিন দিনের বেশি কাজ করছেন না। হাসপাতালে অনেক সময়েই প্রয়োজনে তাঁদের দেখা মিলছে না। অথচ হাজিরা খাতায় উপস্থিতি দেখানো হচ্ছে প্রতিদিন! এমনকি হাসপাতালে থাকলেও তাঁরা ঠিকমতো কাজ করছেন না।
আরও পড়ুন- Today Horoscope: আজ কেমন যাবে
তাই এ বার শিক্ষক-চিকিৎসকদের কাজের নির্দিষ্ট ‘গাইডলাইন’ বা নির্দেশিকা তৈরির পরিকল্পনা করেছে স্বাস্থ্য দফতর। সম্প্রতি সরকারি মেডিক্যাল অফিসার এবং অন্যান্য চিকিৎসক ও কর্মীর জন্য নিয়ম মেনে ডিউটি রস্টার তৈরির জন্য স্বাস্থ্য দফতরের ঘোষিত নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, সপ্তাহে কমপক্ষে ৪০ ঘণ্টা কাজ করতেই হবে।
শুধু জেলা নয়, শহরের মেডিক্যাল কলেজেও দিনের মধ্যে একটা সময়ের পরে এক শ্রেণির চিকিৎসককে পাওয়া যায় না বলেও অভিযোগ উঠেছে। স্বাস্থ্য শিবির সূত্রের খবর, চার সদস্যের কমিটির প্রস্তাব অনুযায়ী সপ্তাহে (ছ’দিন) কমপক্ষে ৪২ ঘণ্টা ডিউটি করতেই হবে। বিভাগীয় প্রধানকে সেই অনুযায়ী ডিউটি রস্টার তৈরি করতে হবে এবং তা মানতে হবে শিক্ষক-চিকিৎসকদের। তাঁদের যোগ দিতে হবে অস্ত্রোপচারেও। রবিবার ঘুরিয়েফিরিয়ে ডিউটি থাকবে। সকলে রবিবার ছুটি পাবেন না। একটি নির্দিষ্ট সময়ে রোগীর স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে হবে কর্তব্যরত শিক্ষক-চিকিৎসকদেরও।




