খবর লাইভ : কেন্দ্রের অগ্নিপথ প্রকল্পের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুললেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্পষ্ট ভাষায় তিনি জানিয়ে দিলেন, অগ্নিপথ আসলে বিজেপির(BJP) আরও এক দুর্নীতি। ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের আগে একটি ললিপপ। শুধু তাই নয়, এই ইস্যুতে দেশের যুবসমাজের কাছে তাঁর আর্জি, বিজেপির পাতা ফাঁদে যেন তাঁরা পা না দেন। আসানসোলের পোলো গ্রাউন্ডে কর্মিসভায় উপস্থিত হয়ে মঙ্গলবার এভাবেই কেন্দ্রকে তোপ দাগেন তিনি।তিনি বলেন, “৪ বছর চাকরি দেয়নি ওরা। আর এবার সাধারণ ছেলেমেয়েরা এই প্রশিক্ষণ পাবেন না। প্রশিক্ষণ পাবেন বিজেপির কিছু শাখার লোকজন। সেনাকে সামনে রেখে চালাকি করছে কেন্দ্রীয় সরকার। অগ্নিপথ প্রকল্পে রাজ্য পিছু কয়েক হাজার ছেলেমেয়ে চাকরি পাবেন। তাও মেরেকেটে মাত্র ৪ বছরের জন্য।”
আরও পড়ুনঃ দ্রৌপদী মুর্মু সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য রামগোপাল বর্মার, এফআইআর দায়ের বিজেপির
একইসঙ্গে তিনি যোগ করেন, “অগ্নিপথ প্রকল্প আসলে দুর্নীতি। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের আগে ললিপপ দেখাচ্ছে বিজেপি। ভোট মিটলেই অগ্নিবীরদের বাড়ি পাঠিয়ে দেবে কেন্দ্রীয় সরকার।”
অগ্নিবীরদের মেয়াদ শেষের পর ছেলেমেয়েদের চাকরি দেওয়ার দায়িত্ব রাজ্যসরকারের উপর কেন্দ্র চাপিয়ে দেবে অভিযোগ তুলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কর্নেলবাবু চিঠি দিয়েছেন। বলছেন, ৪ বছর পর অগ্নিবীরদের চাকরির ব্যবস্থা করতে হবে রাজ্যকে। কেন্দ্রে ওদের ডাটা ব্যাংক আমাদের দিয়ে দেবে। তাঁদের চাকরির ব্যবস্থা করতে হবে রাজ্যকেই।” একইসঙ্গে তিনি বলেন, “চাকরি দিতে আমার আপত্তি নেই। কিন্তু বিজেপির পাপ আমি কেন নেব? বিজেপির লোকেদের আমি কেন চাকরি দেব? ওদের ময়লা ওদেরই সাফ করতে হবে। আমার রাজ্যে যুবক-যুবতীর অভাব নেই। চাকরি চাইলে, সবার আগে তাঁদের চাকরি দেওয়া হয়।”
মহারাষ্ট্রের নির্বাচিত সরকারকে ফেলার চেষ্টার ষড়যন্ত্র করছে বিজেপি। বিধায়কদের কোটি কোটি টাকা দিয়ে কিনছে। এত টাকা গেরুয়া শিবির পায় কোথা থেকে? একই সঙ্গে নাম না করে নূপুর শর্মা ইস্যুতেও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন তৃণমূল নেত্রী।
মমতা বলেন, বাংলায় কারও বিরুদ্ধে কাটমানির অভিযোগ এলেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কিন্তু বিজেপি যে কোটি কোটি টাকা খরচ করে তার কোনও অডিট হয় না।
নূপুর শর্মার নাম না করেও তোপ দাগেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তিনি বলেন, যাঁরা উস্কানিমূলক মন্তব্য করেন তাঁদের গ্রেফতার না করে উল্টে নিরাপত্তা দেওয়া হয়। আর তিস্তা শীতলবাদের মতো সমাজকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। এই গ্রেফতারির নিন্দা বিশ্বজুড়ে হচ্ছে।




