National Special News Special Reports

উদ্ধব ঠাকরের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গেলেন বিদ্রোহী শিন্ডে

0
(0)

খবর লাইভ : ক্রমশ আরও জটিলতা বাড়ছে মহারাষ্ট্রের রাজনীতির ময়দানে। উদ্ধব ঠাকরের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গেলেন বিদ্রোহী শিবসেনা নেতা একনাথ শিন্ডে। বিদ্রোহের পর শিন্ডে-সহ রাজ্যের ১৬ বিধায়কের বিধায়ক পদ খারিজের ব্যাপারে পদক্ষেপ নিয়েছেন উদ্ধব ঠাকরে। এর বিরুদ্ধেই সুপ্রিম কোর্টে গেলেন শিন্ডে ও অন্যান্য বিধায়করা (Maharastra Politics | Supreme Court)।

আরও পড়ুনঃ মানুষের দাবি নিয়ে ত্রিপুরার মাটিতে আমাদের লড়াই চলবে: অভিষেক

বিদ্রোহী ১৬ বিধায়কদের সদস্যপদ বাতিলের আর্জি জানিয়ে মহারাষ্ট্র বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার নরহরি জিরওয়ালের কাছে অনুরোধ জানান শিবসেনা নেতা অজয় চৌধুরী। তাঁর দাবি মেনে ডেপুটি স্পিকার ওই বিদ্রোহী বিধায়কদের (MLA) সদস্যপদ বাতিল সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেন। ডেপুটি স্পিকারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্চ জানিয়ে সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয় একনাথ শিন্ডে (Eknath Shinde)শিবির। দায়ের করা পিটিশনে জরুরি ভিত্তিতে আর্জির অনুরোধ করা হয়েছে। সূত্রে পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, সর্বোচ্চ আদালত অনুরোধে সাড়া দিয়েছে। কাল সোমবার মামলার শুনানি।
উদ্ধব শিবিরের দাবি, রাজ্যের মন্ত্রী একনাথ শিন্ডে, গুলাবরাও পাটিল, দাদা ভুসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চলেছেন উদ্ধব। পাশাপাশি ওই তালিকায় রয়েছেন মন্ত্রী আব্দুস সাত্তার ও শম্ভুরাজে দেসাই। এদিকে, আজ বিকেলে বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী উদয় সাওয়ান্ত। অন্যদিকে বিদ্রোহী শিবিরের দাবি তাদের হাতে দুই তৃতীয়াংশ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে। তাই খুব সহজেই তারা বিধায়ক পদ খারিজের আইন এড়িয়ে উদ্ধবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারেন।
তবে সর্বোচ্চ আদালতে শিন্ডে ক্যাম্পের দাবি, ডেপুটি স্পিকারের বিরুদ্ধে যতক্ষণ পর্যন্ত না অনাস্থা প্রস্তাব গৃহীত না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত ওই ১৫ বিধায়ক ও একনাথ শিন্ডের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। পাশাপাশি অজয় চৌধুরীকে পরিষদীয় দলের নেতা নির্বাচনকেও চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, বিদ্রোহী বিধায়কদের পরিবারকে নিরাপত্তা দেওয়ার জন্যও মহারাষ্ট্র সরকারকে আদালতের নির্দেশনাও চেয়েছে শিন্ডে শিবির।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *