Special News Special Reports

বাগবাজারে মায়ের বাড়িতে পালিত হল সারদা মায়ের পদার্পণ তিথি

0
(0)

খবর লাইভ  : বাগবাজারে মায়ের বাড়িতে পালিত হল সারদা মায়ের পদার্পণ তিথি। সকাল থেকে মঙ্গলারতি দিয়ে পুজো শুরু হয়। আয়োজন করা হয় বিশেষ পুজোর। হোম, বেদপাঠ সঙ্গীত অনুষ্ঠান, সাধুদের ভাণ্ডারা এবং নরনারায়ণ সেবা হয়।

স্বামী বিবেকানন্দ ১৯০২ সালে দেহ রাখলেন। তখন উত্তর কলকাতায় বিভিন্ন ভাড়া বাড়িতে মা সারদাকে থাকতে হয়েছে। সেই সময় স্বামী সারদানন্দ ছিলেন রামকৃষ্ণ মিশনের সাধারণ সম্পাদক। তিনি এই বাড়িটি তৈরি করেন যাতে পাকাপাকিভাবে মা এখানে থাকতে পারেন। ১৯০৯ থেকে ১৯২০ সাল পর্যন্ত এই ১১ বছর মা ছিলেন এখানে। ‘শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণ লীলা প্রসঙ্গ’ লেখার যে টাকা পাওয়া গিয়েছিল, সেই টাকা দিয়ে মায়ের বাড়ি হয়।সবাই এই বাড়িতে আসেন মায়ের সঙ্গে দেখা করতে।

রামকৃষ্ণের পার্ষদরা আসেন মায়ের সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে থেকে লোক আসতেন মাকে দেখতে। যেমন বিখ্যাত চিত্র পরিচালক সোহরাব মোদি তিনি মায়ের শিষ্য ছিলেন। সিস্টার নিবেদিতা এসেছিলেন বহুবার। জোসেফ ক্লাউড আসেন। বিখ্যাত অভিনেত্রী তারাসুন্দরীদেবী আসেন। নন্দলাল বসুও বহুবার আসেন। অরবিন্দ ঘোষও সস্ত্রীক এসেছিলেন মায়ের কাছে। কলকাতার ইতিহাসের সঙ্গে এই বাড়ি ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। বহু বিপ্লবীরাও এসেছিলেন মায়ের সঙ্গে দেখা করতে।

এখন যেটি মায়ের বাড়ি বলা হচ্ছে সেই বাড়িটি কেদার দাস মহাশয়ের ছিল। তিনি এই জমিটি দান করেন। তার একটি শর্ত ছিল শর্তটি হল এই জায়গাতে নিত্য রামকৃষ্ণদেবের পুজো হতে হবে।  শরৎ মহারাজ এককথায় রাজি হলেন, যেহেতু মা থাকবেন এবং সেখানেই ঠাকুরের নিত্যপুজো হবে। কিছুদিন কাজ চলার পর টাকা শেষ হয়ে যায়। মহারাজকে তখন ঋণ নিতে হয়। প্রথমদিকে মা আসছে চাইছিলেন না। কিছুদিন পর মা নিজেই খবর পাঠালেন যে তিনি আসবেন। তারপর শরৎ মহারাজ গেলেন এবং মাকে নিয়ে আসলেন। ১৯০৯ সালে ২৩ মে মা আসেন বাগবাজারের এই বাড়িতে। কিন্তু মায়ের আসার দিনটি পালন করা হয় না। পালন করা হয় মায়ের পদার্পণ তিথি।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *