খবর লাইভ : কলকাতা বিমানবন্দরে বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে ১০টা পর্যন্ত ১১টি ফ্লাইট বাতিল। বহু বিমান দেরিতে উড়ছে। যেমন, বুধবারের দিল্লিগামী ইন্ডিগো-এর বিমান ৬ই ২০৭৯, বৃহস্পতিবার সকালে টেকঅফ করে। এ দিন সকাল থেকে আসা-যাওয়ার ১০টি করে ফ্লাইট দেরিতে ওঠানামা করেছে।দুর্গাপুরে কাজি নজরুল ইসলাম বিমানবন্দর থেকে বুধবার মুম্বইয়ের ফ্লাইট ওড়েনি। বৃহস্পতিবার বাতিল করা হয় চেন্নাইয়ের ফ্লাইট। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের দাবি, বাকি রুটে ফ্লাইট চলছে, তবে দেরিতে।
কাজি নজরুল ইসলাম বিমানবন্দর থেকে দিল্লি, মুম্বই, চেন্নাই, বেঙ্গালুরু, হায়দারবাদ, ভুবনেশ্বর, বাগডোগরা, গুয়াহাটি ও বেনারস রুটে বিমান চলাচল করে। প্রতিটি রুটে ইন্ডিগোর বিমান চলে। গত দু’ দিনেও একাধিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
তবে এই ভাবে ফ্লাইট বিভ্রাটে বিরক্ত যাত্রীরা। ক্ষোভ বাড়ছে তাঁদের। এ দিন দুর্গাপুর কাজি নজরুল বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে অসীম নন্দী নামে এক যাত্রী জানান, চিকিৎসার জন্য তাঁর চেন্নাইয়ে যাওয়ার কথা আজ। সকালে জানতে পারলেন উড়ান বাতিল। কী ভাবে যাবেন, তা নিয়ে চিন্তায়।
কিন্তু কেন এই পরিস্থিতিতে পড়তে হলো ইন্ডিগো কে? বুধবারই বিবৃতি দিয়ে ইন্ডিগো জানিয়েছে, প্রতিকূল আবহাওয়া, প্রযুক্তিগত ত্রুটি, বিমানকর্মীদের সংশোধিত কাজের সময় সূচি অর্থাৎ ফ্লাইট ডিউটি টাইম লিমিটেশন-সহ একাধিক কারণে এই সমস্যা।
সম্প্রতি এফডিটিএল সংশোধিত করে জানানো হয়, একজন বিমানকর্মী দিনে ৮ ঘণ্টা, সপ্তাহে ৩৫ ঘণ্টা, মাসে ১২৫ ঘণ্টা, বছরে সর্বোচ্চ ১ হাজার ঘণ্টা কাজ করার কথা। এই নিয়ম কার্যকর করতে গিয়ে কর্মী নিয়ে টানাটানি শুরু হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে উঠে আসছে। কিন্তু একাংশের পাল্টা প্রশ্ন, এক মাস হয়ে গেল এই নির্দেশিকার। হঠাৎ ডিসেম্বরে কেন এই পরিস্থিতি হলো? উত্তর পুরোপুরি স্পষ্ট নয়।




