খবর লাইভ : ব্রিগেড সমাবেশ থেকে তৃণমূল এবং বিজেপিকে একযোগে আক্রমণ করলেন অনাদি সাহু। তাঁর বক্তব্য, ‘‘শ্রমজীবী মানুষ আজ বিপন্ন। চাবাগান, চটকল, কয়লাখনি, ইস্পাত কারখানার মানুষ আক্রান্ত। দুর্নীতিগ্রস্ত, স্বৈরাচারী, ফ্যাসিবাদী সরকার ১৪ বছর ধরে রাজ্যে লুটের রাজত্ব চালাচ্ছে। ২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি চলে গিয়েছে। ৩২ হাজারের চাকরি ঝুলে আছে। ছাত্রযুবরা পরিযায়ী শ্রমিক হিসাবে অন্য রাজ্যে চলে যাচ্ছে। রাজ্যের অগ্রগতি স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে। জিনিসপত্রের দাম হু হু করে বেড়েছে এই সরকারের নীতির কারণে। গরিবের রোজগার বাড়ছে না। স্থায়ী কাজে অস্থায়ী শ্রমিক নিযুক্ত হচ্ছেন। শ্রম আইন ভঙ্গ হচ্ছে বার বার। সর্বত্র অস্থায়ী শ্রমিক, কম মজুরিতে কাজ করতে তাঁরা বাধ্য হচ্ছেন। কেন্দ্র শ্রম কর লাগু করতে চলেছে। নরেন্দ্র মোদীকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলতে চাই, আগুন নিয়ে খেলবেন না।’’
কৃষক নেতা অমল হালদার বলেন, কৃষকেরা বিপন্ন। গোপনে জমি বন্ধক দিতে হচ্ছে। ঘর ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। ফসলের দাম পাচ্ছেন না কেউ। সারের দাম, বীজের দাম বাড়ছে। রাজ্য ভয়ঙ্কর অবস্থার দিকে যাচ্ছে। লড়াই ছাড়া কোনও পথ নেই। অতীতেও বাঁচানোর জন্য লাল ঝান্ডা ছুটে এসেছিল। রাজ্যে কৃষির অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো ২৬ হাজার চাকরি চলে গেল। অযোগ্যদের বাঁচানোর জন্য যোগ্যদের বলি দিলেন মমতা। চালের দাম চড় চড় করে বাড়ছে। ভাত খেতে পাব আমরা আগামী দিনে? চালও তো আমদানি করতে হবে বাইরে থেকে! জমি কমছে। উৎপাদন কমছে। সরকারের কোনও পরিকল্পনাই নেই। এর পর দুর্ভিক্ষের মতো চিত্র দেখা যাবে।




