খবর লাইভ : কালো টাকা সাদা করার চেষ্টা করছেন হুগলি জেলার কুখ্যাত দুষ্কৃতী রমেশ মাহাতো। বর্তমানে পুলিশের নজরদারি থাকলেও ঠিক নিজের ক্যারিশমা দেখিয়ে যাচ্ছেন হুগলির এই ত্রাস। কিছুদিন আগেই তাঁর বিরুদ্ধে জেল থেকে এক প্রোমোটারকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সচরাচর বেশিরভাগ প্রোমোটারই প্রাণভয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের না করলেও ওই ব্যক্তি অবশ্য রমেশের বিরুদ্ধে বালি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তারপরই শোরগোল পড়ে যায়। পাশাপাশি হুগলি জেলার এই দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে সম্প্রতি তদন্ত শুরু করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটও। তদন্ত করতে গিয়ে অবশ্য চোখ কপালে ওঠার অবস্থা তদন্তকারীদের।
তোলাবাজির টাকায় রমেশ নির্মাণ ব্যবসা করছেন বলে আগেই জানা গিয়েছিল। বালি, উত্তরপাড়া, হিন্দমোটর, কোন্নগর সহ হুগলি জেলার বেশ কিছু এলাকায় রমেশের নির্মাণ কাজের হদিশ পাওয়া গিয়েছিল। বেশ কয়েকজন প্রোমোটারকে চিহ্নিত করে পুলিশ। কম টাকা সুদে ওই প্রোমোটাররা রমেশের কাছ থেকে টাকা আনত। তবে এবার আরও বড় তথ্য পেয়েছেন ইডি আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, হুগলি জেলার বেশ কিছু সাট্টা ও জুয়া ব্যবসায়ী রমেশের কাছ থেকে কম টাকা সুদে টাকা এনে কারবার করছেন। এমনটাই ইডি তদন্তে উঠে এসেছে। তার মধ্যে অন্যতম চণ্ডীতলা থানার জনাইয়ের বাসিন্দা সন্তু ও ভদ্রেশ্বরের রাম। তবে রমেশের টাকায় হুগলি জেলার সাট্টার বাদশা হয়ে উঠেছেন সন্তুই। সূত্রের খবর, চণ্ডীতলা, মশাট, জনাই, হরিপাল, পোলবা, দাদপুর এলাকায় রমরমিয়ে চলে সন্তুর বেআইনি কারবার। অন্যদিকে রামের ব্যবসা চলে দাদপুর, পোলবা, বলাগড়, ভদ্রেশ্বর এলাকায়। ইডির এক অফিসার জানান, আমরা শীঘ্রই কয়েকজনকে ডাকতে চলেছি। তাদের আয়ের উৎস জানার চেষ্টা করব।




