খবর লাইভ : দাঙ্গা-বিধ্বস্ত মুর্শিদাবাদে এবার মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি উঠল। জাতীয় মহিলা কমিশনের সামনে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন মহিলারা।একই দিনে আজ মুর্শিদাবাদে রাজ্যপাল ও জাতীয় মহিলা কমিশন। হিংসা-বিধ্বস্ত মুর্শিদাবাদে গিয়ে মর্মান্তিক অবস্থা চাক্ষুষ করলেন জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্যরা। প্রতিনিধিদের জড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন মহিলারা। আছাড়ি-পিছাড়ি খেয়ে করলেন হাহাকার। চাইলেন একটা চিরস্থায়ী সমাধান। ঘর গিয়েছে, গিয়েছে অর্থ, কারও গৃহপালিক পশু,….নিঃস্ব করে লুটেপুটে নিয়ে গেছে হামলাকারীরা। আতঙ্ক কাটেনি। বিএফএফ চলে গেলে কী হবে ? এই আতঙ্কেই ঠকঠক করে কাঁপছেন মেয়েরা।
মুর্শিদাবাদের অশান্তির ঘটনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলবেন তিনি। শুধু তা-ই নয়, কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবেন বলে জানালেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। শনিবার মুর্শিদাবাদের হিংসাকবলিত এলাকা ধুলিয়ান এবং শমসেরগঞ্জ ঘুরে দেখেন তিনি। কথা বলেন ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে। তার পরেই রাজ্যপাল জানান, নিজের ‘কর্তব্য’ পালনে তিনি ‘অবিচল’! শুক্রবার মালদহের বৈষ্ণবনগরের আশ্রয়শিবির এবং শনিবার মুর্শিদাবাদের কিছু এলাকা ঘুরে দেখে নিজের অভিজ্ঞতার কথাও জানান তিনি।
রাজ্যাপাল বলেন, ‘‘আমি যা দেখেছি, ক্ষতিগ্রস্তদের কাছ থেকে যা শুনেছি, তা থেকে মনে হয়েছে পাশবিক অত্যাচার ঘটেছে! সভ্য সমাজে মানুষ এই পরিস্থিতিতে শান্তিতে বসবাস করতে পারে না।’’
রাজ্যপালের কথায়, ‘‘ভারতের মতো গণতান্ত্রিক দেশে কোনও ভাবেই এই ধরনের অগণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চলতে পারে না। লুট হয়েছে, সন্ত্রাস চলেছে।’’ বোসের মতে, ‘‘আমি বুঝতে পেরেছি জনগণ কী চাইছে। আমি সঠিক জায়গায় এই বার্তাটি পৌঁছে দেব।’’




