খবর লাইভ : হুগলির হরিপাল ও চণ্ডীতলা থানা এলাকায় রমরমিয়ে সাট্টার ঠেক চলার অভিযোগ উঠল। পুলিশ ও প্রশাসন নিষ্ক্রিয় থাকায় সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে অভিযোগ জানালেন ওই দুই বিধানসভা কেন্দ্রের সাধারণ মানুষ। নবান্নে অভিযোগ জমা পড়ায় রাজ্য পুলিশের এক শীর্ষকর্তা কড়া পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছেন।
হরিপাল থানার শিয়াখালায় দীর্ঘদিন ধরেই রমরমিয়ে চলছে সাট্টার কারবার। সুকুমার গিরি নামে এক দুষ্কৃতী দীর্ঘদিন ধরে এই বেআইনি কাজ করে আসছে বলে এলাকাবাসীদের অভিযোগ। যা নিয়ে তাঁরা একাধিক বার হরিপাল থানায় অভিযোগ করেছেন। কিন্তু প্রশাসন সেভাবে ব্যবস্থা নেয়নি বলে এলাকাবাসীদের দাবি। তাই তাঁরা বাধ্য হয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে অভিযোগ জানিয়েছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, শিয়াখালা বাজার চত্বরে প্রায় ১০ থেকে ১২টি সাট্টার ঠেক চালিয়ে এলাকাবাসীকে শেষ করছে সুকুমার নামে এক দুষ্কৃতী। সাট্টার ঠেকে গিয়ে সর্বস্বান্ত হচ্ছেন এলাকার মানুষজন। অনেকে আবার আত্মহত্যারও চেষ্টা করেছেন। পুলিশ ব্যবস্থা না নেওয়ায় বাধ্য হয়ে তাঁরা নবান্নে অভিযোগ জানিয়েছেন।
যদিও হরিপাল থানার ওসি কৌশিক সরকার দাবি করেছেন, সমস্ত সাট্টার ঠেক তাঁরা ভেঙে দিয়েছেন। যদিও তাঁর কথার সঙ্গে বাস্তবের কোনও মিল পাওয়া যায়নি। এখনও রমরমিয়ে চলছে সাট্টার একাধিক ঠেক। গ্রেফতার করা হয়নি সুকুমার গিরিকেও।
আরও পড়ুনঃ ফুটবলের মতো এবার টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটেও লাল কার্ড!
একইভাবে চণ্ডীতলা থানার একাধিক জায়গায় রমরমিয়ে চলছে বেআইনি সাট্টার ঠেক। এখানে বাপি বিট্টু নামে এক দুষ্কৃতী আঁইয়া, লক্ষ্মণপুর, মশাট, চণ্ডীতলা, জঙ্গলপাড়া এলাকায় রমরমিয়ে সাট্টার কারবার করলেও পুলিশ নীরব দর্শক হয়ে রয়েছে। যার প্রতিবাদে এলাকার লোকজন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ জানাতে বাধ্য হয়েছেন।
এবিষয়ে তৃণমূলের এক জেলা স্তরের নেতা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
অন্যদিকে বিজেপি, আইএসএফ এবং সিপিএম পথে নেমে প্রতিবাদ করার হুমকি দিয়েছে।




