খবর লাইভ : কয়লার পাশাপাশি বালির মতো প্রাকৃতিক সম্পদ পাচার রুখতে কড়া হয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) ও সিবিআই। কিন্তু তারপর থেকেও বন্ধ হয়নি নদী থেকে বেআইনি বালি তোলার কাজ। হাওড়ার আমতা থানার মান্দারিয়া মোড়ের কাছে দামোদর থেকে বেআইনিভাবে বালি তোলার কাজ রমরমিয়ে চলছে। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ডাম্পারে লোড করে সেই বালি চলে যাচ্ছে হাওড়ার বিভিন্ন জায়গায়। মোটা টাকার বিনিময়ে সেই বালি বিক্রি করছে বালি মাফিয়ারা। রাতের অন্ধকারে বালি তোলা হলেও থানার কাছে অবশ্য সেই খবর নেই। রাহাবুল নামে এক মাফিয়া এই বেআইনি কাজ করছে বলে জানা গিয়েছে। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এলাকার লোকজন নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছেন। এখন দেখার পুলিশ কী পদক্ষেপ নেয়?
আরও পড়ুনঃ টোকিওর বিমানবন্দরে রানওয়েতে অবতরণের সময় বিমানে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড, মৃত ৫
আমতার বেতাই, মান্দারিয়া মোড় এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই বালি মাফিয়ারা সক্রিয়। মান্দারিয়া মোড়ের কাছে রাহাবুল নামে এক বালি মাফিয়া দীর্ঘদিন ধরেই অবৈধ ভাবে দামোদর থেকে বালি তুলছে রাতের অন্ধকারে। আশপাশের লোকজন বিষয়টি বারবার প্রশাসনের কাছে জানালেও কোনও সুরাহা হয়নি। উল্টে বালি মাফিয়াদের রোষের মুখে পড়তে হয়েছে। পুলিশের একাংশও এই বালি মাফিয়াদের সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখেছে বলে দাবি এলাকাবাসীদের। যার ফলে রাহাবুলের মতো দুষ্কৃতীরা এতটা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। পুলিশ ও প্রশাসন নিষ্ক্রিয় থাকায় এলাকার লোকজন তাই বাধ্য হয়ে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ জানাতে বাধ্য হয়েছেন। আমতা থানার ওসি অজয় সিং অবশ্য আশ্বাস দিয়েছেন খতিয়ে দেখার। এখন দেখার বিষয় পুলিশ আদৌ এই বেআইনি বালি তোলার কাজ বন্ধ করতে পারে কিনা!




