খবর লাইভ : ওয়াকফ বোর্ডে যদি অমুসলিম সদস্যরা সুযোগ পান, সেক্ষেত্রে কি হিন্দুদের দান করা সম্পত্তির পরিচালন পর্ষদে মুসলিমরা সুযোগ পাবেন? বুধবার সংশোধিত ওয়াকফ আইনের বৈধতা সংক্রান্ত মামলায় কেন্দ্রীয় সরকারকে এই প্রশ্নই তুলেছিল সুপ্রিম কোর্ট৷ যদিও কেন্দ্রের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল, নতুন ওয়াকফ আইনটি অনেক বেশি সার্বজনীন৷ সেখানে শিয়া এবং সুন্নি বাদেও অন্যান্য মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি রাখার সুযোগ দেওয়া হয়েছে৷ কিন্তু এদিন ওয়াকফ শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট সাফ জানিয়ে দিল, পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত ওয়াকফ বোর্ড এবং পর্ষদে নিয়োগ করা যাবে না। এমনই নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের।
এদিন, সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা সুপ্রিম কোর্টে জানান, কেন্দ্রের তরফে সংক্ষিপ্ত জবাব ৭ দিনের মধ্যে দাখিল করা হবে এবং পরবর্তী শুনানির তারিখ পর্যন্ত কোনও নিয়োগ হবে না। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ এদিন জানিয়ে দেয়, পরবর্তী শুনানির তারিখ পর্যন্ত যেসব সম্পত্তি ওয়াক্ফ-বাই-ইউজার হিসেবে নিবন্ধিত বা নোটিফিকেশনের মাধ্যমে ঘোষিত হয়েছে, তাদের চরিত্র পরিবর্তিত হবে না। এর পরে ৫ দিনের মধ্যে পাল্টা জবাব দাখিল করতে হবে।
সুপ্রিম কোর্টের আপাতত নির্দেশ, ১৯৯৫ সালের আইনে নথিভুক্ত ওয়াকফ সম্পত্তিতে কোনও বদল ঘটানো যাবে না। পাশাপাশি, নিয়োগ করা যাবে না ওয়াকফ বোর্ড বা পর্ষদেও।




