খবর লাইভ : বেঙ্গালুরু থেকে গ্রেফতার করা হল হাওড়ার বাঁকড়া পঞ্চায়েত অফিসে গুলিকাণ্ডে মূল অভিযুক্তকে। পুলিশ জানিয়েছে, বেঙ্গালুরুর একটি বেসরকারি হাসপাতালে রোগী সেজে লুকিয়ে ছিল সাজিদ শেখ। সেখানে হানা দিয়েই পুলিশ গ্রেফতার করে তাকে।
বিশেষসূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বেঙ্গালুরুতে ওই বেসরকারি হাসপাতালে হানা দেয় হাওড়া কমিশনারেটের পুলিশ। সাজিদকে জেরা করেই আজ বুধবার উত্তরপ্রদেশ থেকে গুলিকাণ্ডে আরেক অভিযুক্ত সঞ্জয় সিংকে গ্রেফতার করা হয়। আদালতে তুলে রিমান্ডে নিয়ে দুজনকেই হাওড়ায় নিয়ে আসার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।গত বৃহস্পতিবার দুপুরে মুখ ঢেকে বাঁকড়া-৩ পঞ্চায়েত অফিসের মধ্যে ঢুকে পড়ে জনা তিনেক দুষ্কৃতী। তাদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল। পঞ্চায়েত অফিসের মধ্যেই গুলি চালায় তারা। সরাসরি গুলি না লাগলেও এই ঘটনায় পঞ্চায়েত প্রধানের বাবা-সহ মোট দু’জন জখম হন। পঞ্চায়েত প্রধান টুকটুকি শেখকে লক্ষ্য করেও গুলি চালানো হয়। প্রাণ বাঁচাতে তিনি টেবিলের তলায় বসে পড়েন। পরে আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। ওই ঘটনার তদন্তে নেমে হাওড়া সিটি পুলিশ দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। শুক্রবার তাদের হাওড়া জেলা আদালতে হাজির করানো হয়। ওই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত হিসাবে উঠে আসে সাজিদের নাম।
আরও পড়ুনঃ উচ্চমাধ্যমিকে জেলার জয় জয়কার, পাশের হারে শীর্ষে পূর্ব মেদিনীপুর
সাজিদ পঞ্চায়েত প্রধান টুকটুকির জামাইবাবু বলে পরিচিত। টুকটুকির অভিযোগ, এই পরিচয়েই সে নিজের মতো করে পঞ্চায়েতে রাজ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এলাকার মানুষ তাঁর দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। যদিও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছে সাজিদ। তার দাবি, চক্রান্ত করে ফাঁসানো হয়েছে তাকে। ধৃত সাজিদ জানান, তিনি দলের সঙ্গে সক্রিয় ভাবে যুক্ত। তাঁকে ফাঁসানো হচ্ছে। এটা চক্রান্ত। সাজিদ স্থানীয় বিধায়ক কল্যাণ ঘোষের ঘনিষ্ঠ বলে অভিযোগ করেছিলেন বিরোধীরা। পুলিশের দাবি, সাজিদই ভিনরাজ্য থেকে দুষ্কৃতীদের ভাড়া করে এনে ওই দিন পঞ্চায়েত অফিসে হামলা চালায়। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।




