International National Special News Special Reports

ফের অঙ্গদানের নজির! ভারতের উদ্যোগে প্রাণ বাঁচল পাকিস্তানের আয়েশার

0
(0)

খবর লাইভ : মুছে গেল সীমান্তের বেড়াজাল। শত্রুতা ভুলে ফের নয়া নজির গড়ল ভারত। এবার পড়শি দেশের এক যুবতীর প্রাণ বাঁচল ভারতের সাহায্যের কারণে। সীমান্তের বেড়াজাল পেরিয়ে অঙ্গদানের নয়া নজির চিকিৎসকদের। জটিল অস্ত্রোপচার করার জন্য এক টাকাও নিলেন না সার্জন ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ভারতে নতুন হৃদয় পেয়ে প্রাণ বাঁচল পাকিস্তানের আয়েশা রাশানের।

পাকিস্তানের বাসিন্দা ১৯ বছরের আয়েশা ২০১৪ সাল থেকেই হার্টের নানা রোগে ভুগছিলেন। একসময় পরিস্থিতি এতটাই হাতের বাইরে চলে যায় যে হার্ট ট্রান্সপ্লান্ট করার প্রয়োজন হয়ে পড়ে। কৃত্রিম হার্ট পাম্প লাগিয়েও কাজ হয়নি। আয়েশার পরিবার তখন যোগাযোগ করে চেন্নাইয়ের এমজিএম হেলথকেয়ার হাসপাতালের সঙ্গে। হাসপাতালের ডিরেক্টর ডা. কেআর বালাকৃষ্ণাণ, কো-ডিরেক্টর ডা. সুরেশ রাও আয়েশাকে মেডিক্যাল টেস্টের জন্য আয়েশাকে চেন্নাইতে ডেকে পাঠান। আয়েশার জন্ম ভারতে হলেও বেড়ে ওঠা করাচিতে। তাঁর পরিবার সূত্রে খবর, চেন্নাইয়ের হাসপাতালে কিছুদিন ইকমো সাপোর্টে রাখা হয় আয়েশাকে।

আরও পড়ুনঃ যোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের সমর্থনে যৌথ মিছিল বামফ্রন্ট এবং কংগ্রেসের
কিন্তু আয়েশার একটি ভালভ ফুটো হয়ে যাওয়ার কারণে চিকিৎসকরা জানান, সম্পূর্ণ হার্ট ট্রান্সপ্লান্ট ছাড়া আর কোনও উপায় নেই। এরপরই হাসপাতালের চেষ্টাতেই হার্ট ট্রান্সপ্লান্টের ব্যবস্থা করা হয়। যেমন ভাবনা তেমন কাজ, এরপরই তড়িঘড়ি দিল্লি থেকে হার্ট আনা হয় এবং সফলভাবে অস্ত্রোপচার করা হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আয়েশার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হলেই সে পাকিস্তানে ফিরে যেতে পারবে। তবে আয়েশার এই জটিল অস্ত্রোপচারের জন্য খরচ হত ৩৫ লক্ষ টাকা। কিন্তু তাঁর পরিবারের সেই আর্থিক সামর্থ্য না থাকায়, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, চিকিৎসকরা বিনামূল্যে অস্ত্রোপচার করেন। ঐশ্বর্য্যন নামক একটি ট্রাস্টও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়।

আয়েশার পরিবার জানিয়েছে, ভারতের চিকিৎসকরা তাঁদের কাছে ভগবানের মতো ছিলেন। যে মেয়ের জীবনের আশা একটু একটু করে ফুরিয়ে আসছিল, সেই মেয়েকেই নতুন হৃদয় দিয়ে পুনর্জীবন দিয়েছেন তাঁরা।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *