খবর লাইভ : ‘এটি সম্পূর্ণ ত্রুটিপূর্ণ রায়। এই জাজমেন্ট থাকতে পারে না। সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ এসএসসি মামলার রায় ঘোষণা করতেই সাফ জানালেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন হাইকোর্টের রায় প্রসঙ্গে পাল্টা কল্যান বলেন, কারও কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল। কিন্তু ৭৫ শতাংশ তো অভিযোগেই ছিল না। তাহলে কী করে হয় এই জাজমেন্ট? এরপরই গেরুয়া শিবিরকে আক্রমণ করে কল্যানের কটাক্ষ ভারতীয় জনতা পার্টি আসলে সাধারণ মানুষের চাকরি খেতে চাইছে। দেশে এত বেকার থাকলেও বাঙালিদের চাকরি চলে যাক সেটাই বিজেপির মূল উদ্দেশ্য। পাশাপাশি তিনি মনে করিয়ে দেন এই জাজমেন্ট সুপ্রিম কোর্টে গেলে পাঁচ মিনিটে স্টে হয়ে যাবে।
সোমবার সকালে এসএসসি মামলার রায় ঘোষণা করে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি সাব্বির রশিদির ডিভিশন বেঞ্চ। এদিনের রায়ে ২০১৬ সালের গোটা প্যানেল বাতিল করে এসএসসিকে নতুন করে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে যাঁরা বেআইনি নিয়োগের ফলে চাকরি পেয়েছিলেন তাঁদের চার দিনের মধ্যে বেতনও ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। আর সেই রায় সামনে আসতেই রীতিমতো বিক্ষুব্ধ শ্রীরামপুরের সাংসদ। তবে এদিন এখানেই থেমে থাকেননি কল্যান তিনি বলেন, আমি সমস্ত শিক্ষকদের উদ্দেশে বলছি আপনারা নিশ্চিন্তে বসে থাকুন। এই রায় সম্পূর্ণ ভুল রায়। এই রায় সুপ্রিম কোর্টে উঠলে অবিলম্বে স্থগিত হবে।একইসঙ্গে নির্বাচনে এর কোনও প্রভাব পড়বে না বলেও মনে করছেন কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায়।
এসএসসি নিয়োগ মামলায় হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চে চাকরিপ্রাপকদের হয়ে সওয়াল করেন বিশিষ্ট এই আইনজীবী। একটা সময় প্রাক্তন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন কল্যাণ। প্রশ্ন তুলেছিলেন সিবিআই তদন্তের নির্দেশ নিয়েও। এবার হাইকোর্টের রায়ে পাল্টা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার তোড়জোড় শুরু এসএসসির। তবে এদিন রায়দানকে কেন্দ্র করে যাতে কোনওরমক অশান্তি বা গণ্ডগোলের সৃষ্টি না হয়, তার জন্য কড়া নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয় গোটা আদালত চত্বর।




