খবর লাইভ : পাহাড়েই পয়লা বৈশাখ প্রথমবার রাজ্য দিবস উদযাপন মুখ্যমন্ত্রীর। পয়লা বৈশাখ রাজ্য দিবস হিসাবে স্বীকৃত হয়েছে। রাজ্যে প্রথমবার এই দিন উদযাপনে বাংলার সংস্কৃতির ব্যপকতার ঐতিহ্যকে তুলে ধরলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরের মানুষের সব ধরনের সংস্কৃতিকে যেমন তিনি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্যে দিয়ে মেলালেন, তেমনি জলপাইগুড়ির মানুষও পয়লা বৈশাখে জনজোয়ারে পরিণত করলেন শোভাযাত্রাকে। বাংলা বছরের প্রথম দিন লোকনৃত্য-গীতে এক অন্য আঙ্গীকে ধরা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।
রবিবার পয়লা বৈশাখ জলপাইগুড়ির চালসায় নববর্ষের জনসংযোগে শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। চালসার টিয়াবন এলাকা থেকে চালসা গোলাই পর্যন্ত শোভাযাত্রায় পা মেলান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমেই ধামসায় কাঠি দিয়ে বাদকদের তালে তাল মেলান তিনি। এরপর শুরু হয় জাতীয় সড়ক ধরে পথ চলা। কখনও নৃত্যশিল্পীদের সঙ্গে বাজনার তালে পা দুলিয়ে, কখনও স্থানীয় বাজনা হাতে তাল মিলিয়ে শোভাযাত্রা নিয়ে এগিয়ে চলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোথাও আবার শোভাযাত্রা থামিয়ে রাস্তায় গোল হয়ে নিজেদের সংস্কৃতিকে তুলে ধরেন শিল্পীরা। গোটা শোভাযাত্রাকে পরিচালনা করে এগিয়ে নিয়ে চলেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। পদযাত্রার মাঝে আম্বেদকর মূর্তিতেও মাল্যদান করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
নির্বাচনের আগে উত্তরের জেলাগুলির বিভিন্ন এলাকায় ঘুরেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে রবিবার পথে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে পেয়ে জাতীয় সড়কের দুধারে উপচে পড়া সাধারণ মানুষের ভিড়। শোভাযাত্রা যত এগোতে থাকে ততই বাড়তে থাকে সেই শোভাযাত্রায় মানুষের সংখ্য়াও। দূরান্তে যত দূর চোখ যায় শুধুই মানুষের মাথা ও রাজ্য দিবসে তাঁদের উৎসাহ উদ্দীপনা চোখে পড়ে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও পথের দুধারে অপেক্ষা করা সাধারণ মানুষের থেকে ক্রমাগত অভিবাদন গ্রহণ করেন। কখনও পথের ধারে এগিয়ে এসে শিশুদের কোলে তুলে নেন। তবে সাধারণ নির্বাচনী শোভাযাত্রায় যেভাবে মানুষের অভিবাদন গ্রহণ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তার থেকে অনেকটাই আলাদা মেজাজে দেখা যায় তাঁকে। বাংলা দিবসে বাংলার সাংস্কৃতিক ভাবধারাকে প্রচারের দায়িত্ব যে তিনি নিজের সঙ্গেই এগিয়ে নিয়ে যান, তাও এদিন উপস্থাপন করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।




