Special News Special Reports State

দুর্যোগের রাতেই জলপাইগুড়ির বিপর্যস্ত মানুষের পাশে মুখ্যমন্ত্রী

0
(0)

খবর লাইভ : তখনও ফের দুর্যোগের পূর্বাভাস রয়েছে। তা সত্ত্বেও রবিবার রাতে কলকাতা থেকে রাতের বিমানে জলপাইগুড়ি পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মৃতদের পরিবার এবং দুর্গতদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি। তবে নির্বাচনী আচরণ বিধি জারি থাকায় বেশি কিছু জানাতে চাননি মমতা।

আচমকা ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছে জলপাইগুড়ির বিস্তীর্ণ এলাকা। রবিবার বিকেলের এই দুর্যোগে এখনও পর্যন্ত পাঁচজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আহত বহু মানুষ। ঘটনার খবর পেয়েই, রবিবার রাতেই বাগডোগরা বিমানবন্দরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিমানবন্দরের বাইরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী, জানান এমসিসি কোড চলছে বলে বিস্তারিত জানাচ্ছেন না। প্রশাসনের তরফে দুর্গতদের সব রকম ভাবে সাহায্য করা হবে।

আরও পড়ুনঃ বুথ ফেরত সমীক্ষায় নিষেধাজ্ঞা জারি কমিশনের

মুখ্যমন্ত্রী জানান, ঝড়ে পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। “রাজ্য সরকার পাশে আছে। এখন যেহেতু এমসিসি চলছে, তাই প্রশাসন যা করার করবে। একটা বাচ্চাকে নেওটিয়া হাসপাতালে আনা হচ্ছে, ওটা কাল বিকেলে অভিষেক এসে দেখে নেবে। প্রশাসন যা করার করবে। সবটা এখানে বলছি না।’’

ঝড়ে বিপর্যয়ের খবর পেয়েই নিজের এক্স হ্যান্ডলের পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। জানান, জেলা ও ব্লক প্রশাসন, পুলিশ, ডিএমজি এবং কুইক রেসপন্স টিম বিপর্যয় মোকাবিলায় কাজ করছে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে রাতেই জলপাইগুড়ি পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী। জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আহতদের দেখতে যাওয়ার আগে গোশালায় মৃত অনিমা বর্মণের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী। পরিবারের মানুষদের সমবেদনা জানান। সেখান থেকেই ময়নাগুড়ির ত্রাণ শিবিরে থাকা দুর্গতদের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। আশ্বাস দেন, রাজ্য প্রশাসন পাশে আছে। যতদিন না পর্যন্ত বাসস্থানের ব্যবস্থা হচ্ছে ততদিন ততরা যেন ত্রাণ শিবিরেই থাকেন সে পরামর্শও দেন মুখ্যমন্ত্রী। নিরাপত্তা বিষয়ে নজর দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

সেখান থেকে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী যান জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালে। সেখানেই আহতরা ভর্তি রয়েছেন।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *